শনিবার - এপ্রিল ২০ - ২০২৪

চ্যালেঞ্জের মুখে ‘মোর বেডস বেটার কেয়ার’ আইন

আইনটিতে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়া বয়স্ক রোগীদের তাদের পছন্দের বাইরের নার্সিং হোমে পাঠানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে

অন্টারিওর ‘মোর বেডস বেটার কেয়ার’ আইনকে সাংবাদিক চ্যালেঞ্জ জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো। আইনটিতে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়া বয়স্ক রোগীদের তাদের পছন্দের বাইরের নার্সিং হোমে পাঠানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

দুর্বল ও বয়স্কদের জন্য মোর বেডস বেটার কেয়ার আইনকে মৌলিকভাবে বৈষম্যমূলক বলে আখ্যায়িত্ করেছেন অন্টারিও হেলথ কোয়ালিশনের নির্বাহী পরিচালক নাটালি মেহরা।

- Advertisement -

বিল ৭ নামে পরিচিত আইনটি পাস হয় আগস্টের শেষ দিকে এবং এটি কার্যকর হয় ২১ সেপ্টেম্বর। তবে আইনটির সবচেয়ে বিতর্কিত বিষয়গুলোর একটি প্রয়োগের ফলে রোববার আইনটির বিষয়ে পুরোপুরি অনুধাবন করা সম্ভব হয়। ছেড়ে দেওয়া রোগীরা তাদের জন্য নির্বাচন করা লং-টার্ম কেয়ার হোমে যেতে না চাইলে তাদের জন্য দৈনিক ৪০০ ডলার ফি বাধ্যতামূলক করেছে অন্টারিওর হাসপাতালগুলো।

রোগীদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে লং-টার্ম কেয়ার হোমে পাঠিয়ে দেওয়া হলেও বর্তমান আইনে সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ নেই বলে জানান মেহরা। তিনি বলেন, আমরা বিষয়টি আদালতে নিয়ে যাচ্ছি এবং আদালতের কাছে এটির বাতিল চাইবো।

জরুরি বিভাগ রোগী বেড়ে যাওয়ায় এবং বিপুল সংখ্যক অস্ত্রোপচার অনিস্পন্ন থাকার কারণে হাসপাতালগুলোর ওপর সৃষ্ট চাপ কমাতেই এই আইন বলে প্রদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। হাসাপাতালে ভর্তি যেসব রোগীদের বিকল্প সেবা প্রয়োজন বলে চিকিৎসক মনে করেন এবং যারা লং-টার্ম কেয়ার হোমে ভর্তির জন্য অপেক্ষমাণ তালিকায় আছেন, তাদের ক্ষেত্রেই নিয়মটি প্রযোজ্য। প্রদেশজুড়ে বর্তমানে এ ধরনের ১ হাজার ৮০০ রোগী রয়েছে।

তবে লং-টার্ম কেয়ার হোমে আসন পাওয়ার জন্য প্রদেশের ৩৮ হাজার মানুষ অপেক্ষা করছে বলে জানান মেহরা। তিনি বলেন, বিল ৭ হাসপাতালগুলোকে রোগীদের সম্মতি ছাড়াই দক্ষিণ অন্টারিওতে ৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত এবং উত্তর অঞ্চলে ১৫০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত লং-টার্ম কেয়ার হোমে তাদেরকে পাঠানোর অনুমতি দিয়েছে। তবে কেয়ার হোমে পর্যাপ্ত শয্যা না থাকলে সেক্ষেত্রে উত্তর অঞ্চলের রোগীদের আরও দূরেও পাঠিয়ে দেওয়া যাবে। সেইসব লং-টার্ম কেয়ার হোমেই পর্যাপ্ত আসন খালি রয়েছে, যাদের সুনাম একেবারেই তলানিতে। অন্টারিওজুড়ে কোন লং-টার্ম কেয়ার হোমগুলোর অপেক্ষমাণ তালিকা সবচেয়ে ছোট, আমরা তা খতিয়ে দেখেছি এবং এগুলোই সেগুলো। মহামারির সময় সেনাবাহিনী যেসব কেয়ার হোমে গিয়েছি এবং ভয়াবহ পরিবেশ দেখেছিল সেগুলোও আছে এর মধ্যে।

- Advertisement -

Read More

Recent