শনিবার - এপ্রিল ২০ - ২০২৪

চূড়ায় পৌঁছেছে ফ্লু মৌসুম?

অন্টারিও স্বাস্থ্য বিভাগের চিফ মেডিকেল অফিসার ডা কিয়েরান মুর

ফ্লু মৌসুম চূড়ায় পৌঁছে থাকতে পারে এবং অদূর ভবিষ্যতে শিশু হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ কমে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন অন্টারিও স্বাস্থ্য বিভাগের চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. কিয়েরান মুর। তার বিশ^াস, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ফ্লু মৌসুম এর চরম সীমায় পৌঁছে গেছে। পরীক্ষায় ইনফ্লুয়েঞ্জা সনাক্তের হার গত সপ্তাহে হ্রাস পেয়েছে।

ডা. কিয়েরান মুর বলেন, আমাদের কমিউনিটিতে ইনফ্লুয়েঞ্জার সংক্রমণ কমতে পারে। এটা আমাকে আশান্বিত করছে।

- Advertisement -

গত দুই মাস ধরে শ^াসতন্ত্রের সংক্রমণ প্রদেশজুড়ে হাসপাতালগুলোকে চাপে ফেলে দিয়েছে। দেশের অনেক শিশু হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের বড় অংশই ফ্লুতে আক্রান্ত। অন্য কর্মীদের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট ও জরুরি বিভাগে মোতায়েন করায় প্রধান প্রধান শিশু হাসপাতালগুলোকে অস্ত্রোপচার স্থগিত রাখতে হচ্ছে।

ডা. কিয়েরান মুর বলেন, কিছু ভালো খবর আছে এবং আমরা জানি যে, আমাদের হাসপাতাল রাত-দিন অন্টারিওবাসীদের সেবা দিচ্ছে। তবে আমার উপাত্ত বলছে, কিছু প্রবণতা ভালোর দিকে যাচ্ছে এবং আমার বিশ^াস অ্যাকিউট কেয়ার সেক্টরের ওপর থেকে আগামীতে চাপ কমে আসবে।

টরন্টোর হসপিটাল ফর সিক চিলড্রেন জানিয়েছে, শ^াসতন্ত্রের সংক্রমণের দ্বিতীয় ত্বরঙ্গের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা, যা মার্চ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। হাসপাতালের নিজস্ব পরীক্ষা বলছে, ইনফ্লুয়েঞ্জা এ স্ট্রেইনের সংক্রমণ বাড়তির দিকে রয়েছে। সিএইচইও এই বলে সতর্ক করে দিয়েছে যে, সামনের সপ্তাহগুলোতেও ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকবে।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত উপাত্ত অনুযায়ী, প্রদেশজুড়ে ১১৭ জন শিশু ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে ভর্তি ছিল, শয্যা সংখ্যা যেখানে ১৩১টি। এর দুই দিন আগে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে ভর্তি ছিল ১২৫ জন শিশু।

ডা. মুর বলেন, আরএসভির সংক্রমণ সামান্য হ্রাস পেয়েছে। তারপরও মাসের পর মাস ভাইরাসটির সংক্রমণ থাকবে এবং শিশু হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ অব্যাহত রাখবে বলে সতর্ক করে দেন তিনি। ডা. মুর বলেন, ১ ডিসেম্বর অন্টারিওর হাসপাতালে শূন্য থেকে ৪ বছর বয়সী সর্বোচ্চ প্রায় ২০০ জন শিশু রোগী ভর্তি ছিল। বর্তমানে তা ১৭০ জনে নেমে এসেছে। ছুটির মৌসুমে শিশুদের ব্যাপারে আমাদের সত্যিই সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

বুধবার সাপ্তাহিক গড়ে শূন্য থেকে ৪ বছর বয়সী ৭৬৩ জন শিশুকে শ^াসতন্ত্রের সমস্যার কারণে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। এক সপ্তাহে এর সাপ্তাহিত গড় ছিল ৬৯১ জন।
ডা. মুর বলেন, প্রদেশের পক্ষ থেকে ৫২ লাখ ফ্লু ভ্যাকসিন বিতরণ করা হয়েছে এবং ৯ লাখ ডোজ মজুদ রয়েছে। তবে ডাটা ব্যবস্থা পুরনো হওয়ায় কত সংখ্যক ফ্লু ভ্যাকসিনের কত সংখ্যক ডোজ প্রয়োগ করা হয়েছে তা তার জানা নেই। আগামী বছর ব্যবস্থাটি মেরামতের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

- Advertisement -

Read More

Recent