রবিবার - জুন ১৬ - ২০২৪

নতুন কোভিড ভ্যারিয়েন্ট সনাক্তে বিমানের ওয়েস্টওয়াটার

যাত্রী ও ক্রু সদস্যরা করোনাভাইরাসের কোন ধরনের ভ্যারিয়েন্ট ও সাবভ্যারিয়েন্ট বয়ে নিয়ে আসছে তা সনাক্তে বিমানের টয়লে থেকে মানববর্জ্যরে নমুনা সংগ্রহ করছে টরন্টোর পিয়ারসন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোট

যাত্রী ও ক্রু সদস্যরা করোনাভাইরাসের কোন ধরনের ভ্যারিয়েন্ট ও সাবভ্যারিয়েন্ট বয়ে নিয়ে আসছে তা সনাক্তে বিমানের টয়লে থেকে মানববর্জ্যরে নমুনা সংগ্রহ করছে টরন্টোর পিয়ারসন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট। তাদের সঙ্গে এবার যোগ দিয়েছে ভ্যানকুভার ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টও। পাবলিক হেলথ এজেন্সি অব কানাডার ন্যাশনাল মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবোরেটরির ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. গুইলাউম পলকিন এ তথ্য জানিয়েছেন।

নমুনা সংগ্রহ করা হবে কানাডার ব্যস্ততম দুটি বিমানবন্দর থেকে। এর একটি হর্চেছ টরন্টোর পিয়ারসন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট এবং অন্যটি ভ্যানকুভার ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট। বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের ওয়েস্টওয়াটার পরীক্ষার কাজে ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে বিশ^বিদ্যালয়ের গবেষকদের সঙ্গে কাজ করছে পাবলিক হেলথ এজেন্সি অব কানাডা (পিএইচএসি)। একই সঙ্গে পিয়ারসন বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবন থেকেও নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। ইউনিভার্সিটি অব গুয়েল্ফের অধ্যাপক লরেন্স গুডরিজ বলেন, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক গন্তব্যের উড়োজাহাজের বর্জ্য সংগ্রহ করে একসঙ্গে করা হচ্ছে।

- Advertisement -

এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পিএইচএসি। তবে পরীক্ষামূলক একটি প্রকল্পের আওতায় চীন বা হংকং থেকে আসা উড়োজাহাজের ওয়েস্টওয়াটার আলাদাভাবে পরীক্ষা করা হবে।

ভ্যানকুভার ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের পরিচালক ট্রেভর বোদরো বলেন, বিমানবন্দরে আগত উড়োজাহাজের ল্যাভাটরি ডাম্প থেকে বর্জ্য পরীক্ষার কাজ শুক্রবার শুরু করেছে পিএইচএসি এবয় ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল।

পরবর্তীতে চীন ও হংকং থেকে আসা উড়োজাহাজের বর্জ্য আলাদাভাবে পরীক্ষামূলকভাবে পরীক্ষা করে দেখা হবে। বিমানবন্দরগুলো মানুষের বড় অংশের প্রতিনিধিত্ব করে থাকে, যারা কানাডায় আসা বিদেশি যাত্রী। এখন পর্যন্ত যেসব ভ্যারিয়েন্ট জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তার সবই এসেছে কানাডার বাইরে থেকে। সুতরাং বাইরে থেকে কি আসছে সে ব্যাপারে ধারণা পাওয়াটা ভালো। জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে পরবর্তীতে এই উপাত্ত ব্যবহার করা যাবে।

চীন সরকার জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার পর কোভিড-১৯ সংক্রান্ত অসুস্থতায় রীতিমতো বিস্ফোরণ ঘটে গেছে। ৩১ ডিসেম্বর ইস্যু করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পিএইচএসি জানিয়েছে, এসব সংক্রমণের ক্ষেত্রে চীন পর্যাপ্ত এপিডিমিওলজিক্যাল ও ভাইরাল জিনোম সিকোয়েন্স উপাত্ত সরবরাহ করছে না।

- Advertisement -

Read More

Recent