রবিবার - জুলাই ১৪ - ২০২৪

চাহিদার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারছে না কানাডার দাতব্য সংস্থাগুলো

গিভিং রিপোর্টের ষষ্ঠ সংস্করণে বলা হয়েছে দাতব্য সংস্থাগুলো গুরুতর সমস্যার মধ্যে পড়ে গেছে এর কারণ মূলত নজিরবিহীন চাহিদা বৃদ্ধি সেই সঙ্গে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও রাজস্ব ঘাটতি

কানাডার অর্ধেক দাতব্য সংস্থা বর্ধিত চাহিদা মেটাতে পারছে না বলে জানিয়েছে। এ ছাড়া ব্যাপক হারে রাজস্ব কমে যাওয়ার কথা জানিয়েছে এক-তৃতীয়াংশ দাতব্য প্রতিষ্ঠান। ৩ হাজারের মতো দাতব্য সংস্থার ওপর পরিচালিত এক সমীক্ষায় এই তথ্য উঠে এসেছে।

গিভিং রিপোর্টের ষষ্ঠ সংস্করণে বলা হয়েছে, দাতব্য সংস্থাগুলো গুরুতর সমস্যার মধ্যে পড়ে গেছে। এর কারণ মূলত নজিরবিহীন চাহিদা বৃদ্ধি। সেই সঙ্গে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও রাজস্ব ঘাটতি।

- Advertisement -

অনুদানের প্ল্যাটফরম কানাডাহেলপ্সের পক্ষে ২ হাজার ৮৬০টি দাতব্য প্রতিষ্ঠানের ২ হাজার ৯৪৮ জন দাতব্য পেশাজীবীর ওপর ২০২২ সালের ১৪ থেকে ২২ নভেম্বর সমীক্ষাটি চালানো হয়।

কানাডা হেলপ্সের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডিউক চ্যাঙ্গ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছেন, সেবার বর্ধিত চাহিদা ও রাজস্ব হ্রাসের কারণে কানাড্রা বহু দাতব্য সংস্থা যে সংকটের মধ্যে রয়েছে চলতি বছরের প্রতিবেদনে তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আমরা এখন এমন জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছি যেখানে সিংহভাগ দাতব্য সংস্থা চাহিদার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারছে না।

সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৫৭ শতাংশ বলেছেন, সাহায্যের যে বর্ধিত চাহিদা তার সঙ্গে তারা পেরে উঠছেন না। মহামারি-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় চাহিদা অনেক বেশি বেড়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন সমীক্ষঅয় অংশ নেওয়া ৪০ শতাংশ প্রতিনিধি। আর চাহিদা সক্ষমতার বাইরে চলে গেছে বলে মত দিয়েছেন ২২ শতাংশ অংশগ্রহণকারী।

মূল্যস্ফীতির পর কর্মীদের ক্লান্তি উদ্বেগের দ্বিতীয় প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে দাতব্য সংস্থাগুলোর। সেবার চাহিদা বেড়ে যাওয়ার পরও সমীক্ষা চালানো ৬০ শতাংশ দাতব্য প্রতিষ্ঠান বেতনভুক্ত কর্মীর সংখ্যা একই রেখেছে। এ ছাড়া মহামারি-পূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে বর্তমানে কম কর্মী রয়েছে ১৫ শতাংশ দাতব্য প্রতিষ্ঠানে।

- Advertisement -

Read More

Recent