বুধবার - ফেব্রুয়ারি ২১ - ২০২৪

আরসিএমপির ১৫০ বছর

রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ (আরসিএমপি) যখন দেড়শ বছর উদযাপন উদযাপন করছে তখন একটি প্রশ্ন ঘুরছে। তা হলো মাউন্টিরা যাতে সাইবারক্রাইম, জালিয়াতি ও মানবপাচারের দিকে পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারে সেজন্য তাদের কানাডার ছোট কমিউনিটিগুলো থেকে প্রত্যাহার করে উচিত কিনা।

- Advertisement -

আরসিএমপির পত্তন ১৮৭৩ সালের ২৩ মে কানাডার কাছে হস্তান্তরিত নতুন অঞ্চলগুলোতে শান্তি রক্ষার জন্য নর্থ-ওয়েস্ট মাউন্টেড পুলিশ প্রতিষ্ঠার জন্য এ সংক্রান্ত একটি আইন অনুমোদনের মধ্য দিয়ে। ১৯২০ সালে বাহিনীটি ফেডারেল ডোমিনিয়ন পুলিশ আত্তীকরণের মধ্য দিয়ে আরসিএমপিতে রূপান্তরিত হয়।

১৯ হাজার পুলিশ কর্মকর্তা ও ১১ হাজার বেসামরিক সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত মাউন্টি ৭০০ এর বেশি ডিটাচমেন্টে কাজ করছে। সেবা দিচ্ছে ৬০০ এর বেশি আদিবাসী কমিউনিটিকে। পাশাপাশি অপরাধের ফরেনসিক অ্যানালাইসিসের মতো বিশেষায়িত সেবাও সরবরাহ করছে এই বাহিনী।

আরসিএমপি প্রত্যেক প্রদেশ, তিনটি অঞ্চল ও ১৫০টি মিউনিসিপালিটিতে কন্ট্রাক্ট পুলিশিং সেবা দিচ্ছে। তবে কুইবেক ও অন্টারিওতে নিজস্ব পুলিশ বাহিনী থাকায় তাদের সেবাটির প্রয়োজন পড়ছে না।

ফেডারেল কর্মকর্তারা এই বলে সতর্ক করে দিয়েছেন যে, নতুন কর্মকর্তা নিয়োগ ও তাদের প্রশিক্ষণের যে সক্ষমতা বাহিনীর রয়েছে কন্ট্রাক্ট আরসিএমপি কর্মকর্তার চাহিদা তাকে ছাপিয়ে গেছে। এর ফলে অফিসার স্বল্পতা দেখঅ দিচ্ছে, যা তাদের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলছে।

প্রদেশ, অঞ্চল, মিউনিসিপালিটি, আদিবাসী অংশীজন ও অন্যান্য পক্ষের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে কন্ট্রাক্ট পুলিশিংয়ের একটি মূল্যায়ন করতে জননিরাপত্তামন্ত্রী মার্কো মেন্ডিসিনোকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। ফ্রেডেরিক্টনের থমাস ইউনিভার্সিটির ক্রিমিনোলজি ও ক্রিমিনাল জাস্টিস বিভাগের অধ্যাপক মাইকেল বোডরো বলেন, আরসিএমপির কন্ট্রাক্ট পুলিশিং থেকে বেরিয়ে এসে জাতীয় তদন্তগুলোর দিকে মনোযোগ বাড়ানে ার সময় এসেছে। মৌলিক কিছু পরিবর্তন না আনা হলে বাহিনীটি আরও ১৫০ বছর নাও টিকতে পারে।

আরসিএমপির মিশন কমানোর মধ্যে এর উত্তর খুঁজে পাচ্ছেন না অন্যরা। কাজগুলো কীভাবে আরও ভালোভাবে করা যায় তার উপায় খোঁজার ওপর জোর দিচ্ছেন না।

ন্যাশনাল পুলিশ ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট ব্রায়ান সুভ বলেন , ১৮৭৩ বা ১৯৭৩ এমনকি ২০০৩ সালে আরসিএমপি যে ধরনের সংস্থা ছিল এখন তা নেই। অনেক পরিবর্তন এসেছে এবং পুলিশ বাহিনীতে সেটা অব্যাহত রয়েছে।

আরসিএমপিতে নারীদেরকে হয়রানীর ওপর ২০২০ সালে করা এক মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংস্থার মধ্যকার বিষাক্ত সংস্কৃতি দূর করতে মৌলিক কিছু পরিবর্তন দরকার। কারণ, বিদ্যমান সংস্কৃতি ঘৃণাত্মক ও হোমোফোবিক মনোভাবকে সুযোগ দিয়ে থাকে। বাইরের কোনো সংস্থার মাধ্যমে ইনস্টিটিউশনের গভীর মূল্যায়নের সুপারিশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

- Advertisement -

Read More

Recent