রবিবার - জুলাই ১৪ - ২০২৪

গণতদন্তের দরজা খোলা রাখছে লিবারেলরা

আন্তঃসরকার বিষয়ক মন্ত্রী ডোমিনিক লাব্লাঙ্ক তার প্রত্যাশার রূপরেখা শনিবার তুলে ধরেন স্পেশাল র‌্যাপোর্টারের পদ থেকে সাবেক গভর্নর জেনারেল পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার ২৪ ঘণ্টারও কম সময় পর এ ঘোষণা দিলেন তিনি

বিদেশি হস্তক্ষেপ ইস্যুতে গণতদন্তের দরজা উন্মুক্ত রাখছে লিবারেল সরকার। তবে তারা চায়, এর সময়সীমা, সম্ভাব্য নেতা ও মর্তের ব্যাপারে ফেডারেল বিরোধীদল যেনো একসঙ্গে কাজ করে।

আন্তঃসরকার বিষয়ক মন্ত্রী ডোমিনিক লাব্লাঙ্ক তার প্রত্যাশার রূপরেখা শনিবার তুলে ধরেন। স্পেশাল র‌্যাপোর্টারের পদ থেকে সাবেক গভর্নর জেনারেল পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার ২৪ ঘণ্টারও কম সময় পর এ ঘোষণা দিলেন তিনি।

- Advertisement -

লাব্লাঙ্ক বলেন, বিরোধীদলের শক্তিগুলোর সঙ্গে যোগ দেওয়ার সামর্থ্য থাকা উচিত। সেই সঙ্গে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে তা নির্ধারণে সরকারকে সহায়তা করা উচিত। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তারা বিদেশি হস্তক্ষেপ ইস্যুতে সহযোগিতা করার সামর্থ্যরে পরিচয় তারা দিয়েছে। হাউস অব কমন্সে নন-বাইন্ডিং প্রস্তাব পাসে কাজ করা এর মধ্যে অন্যতম। এই প্রস্তাবে ডেভিড জনস্টনকে স্পেশাল র‌্যাপোর্টারের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর দাবি জানানো হয়।

এ মাসের শেষ দিকে সরে দাঁড়াতে রাজি হন জনস্টন। তার কাজকে ঘিরে অতিমাত্রায় দলীয় পরিবেশ তৈরি হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। যদিও এর আগে এগুলো তাকে বিরত রাখতে পারবে না বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি।

শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে লাব্লাঙ্ক বলেন, তারা সবাই গত সপ্তাহে এনডিপির আনা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। প্রস্তাবে বিরোধীদলগুলোর সঙ্গে পরামর্শের কথা বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীও গতকাল আমাকে এটাই বলেছেন। আজ রাতে বা এই সপ্তাহে আমি এটা করার ব্যাপারে আমাবাদী।

আকস্মিক ইউক্রেন সফরের কারণে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো শনিবার উপস্থিত ছিলেন না। কিন্তু লাব্লাঙ্ক বলেন, ট্রুডো আনুষ্ঠানিকভাবে আমাকে পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে বিশেষজ্ঞ ও বিরোধীদলের সঙ্গে পরামর্শ করতে বলেছেন। জনস্টন দায়িত্ব চালিয়ে রযাবেন নাকি গণতদন্ত হবে সে ব্যাপারে এই আলোচনাগুলো হবে।

তিনি বলেন, আমি তাদের তদন্তের নেতৃত্ব দিতে পারেন এমন ব্যক্তিদের একটি তালিকা সঙ্গে নিয়ে আসতে বলেছি। সেই সঙ্গে শর্তগুলো কী হবে ও সময়সীমা কী সেসবও আনতে বলেছিল। সত্যিই আমরা তাদের পরামর্শ ও সময় প্রত্যাশা করছি। সরকার এই অচলাবস্থার মধ্যে থেমে যেতে চায় না।

২০১৯ ও ২০২১ সালের নির্বাচনের ফলাফলে যে কোনো হস্তক্ষেপ করা হয়নি সব দলই সে ব্যাপারে একমত হয়েছে। তারপরও তারা বলছে, কানাডিয়ানদের নির্বাচন পদ্ধতির প্রতি আস্থাবান রাখার একমাত্র উপায় হচ্ছে গণতদন্ত।

- Advertisement -

Read More

Recent