শুক্রবার - জুলাই ১৯ - ২০২৪

অন্টারিওতে টিক-বোর্ন অসুস্থ্যতা বাড়ছে

চিফ মেডিকেল অফিসার ডা কিয়েরান মুর বলেন সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ ধরেনের তিনটি অসুস্থতার ঘটনা প্রকাশিত হয়েছে কিন্তু প্রদেশ এখন এগুলোর ওপর আনুষ্ঠানিকভাবে নজর রাখা শুরু করেছে কোথাও এ ধরনের অসুস্থ্যতা দেখা দিচ্ছে এবং এর সংখ্যা কত তা আমরা জানতে পারছি

প্রদেশে টিক-বোর্ন রোগীর সংখ্যা আগামীতে বাড়তে পারে বলে মনে করছেন অন্টারিও জনস্বাস্থ্যের চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. কিয়েরান মুর। এটা জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে জানিয়েছেন তিনি।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, অন্টারিওতে অ্যানাপ্লাজমোসিস, বেবসিওসিস ও পাউসান ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দিলে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদেরকে তা তাদের স্থানীয় মেডিকেল অফিসারদের গোচরে আনতে হবে।

- Advertisement -

চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. কিয়েরান মুর বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ ধরেনের তিনটি অসুস্থতার ঘটনা প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু প্রদেশ এখন এগুলোর ওপর আনুষ্ঠানিকভাবে নজর রাখা শুরু করেছে। কোথাও এ ধরনের অসুস্থ্যতা দেখা দিচ্ছে এবং এর সংখ্যা কত তা আমরা জানতে পারছি। সামনের বছরগুলোতে যে এ ধরনের অসুস্থ্যতা আরও বাড়বে সে ধারণা করাই যায়। কারণ, এটা সংক্রমণের চেনা ঢেউ, যা আমরা উত্তর আমেরিকার উত্তরপূর্ব উপকূলে ছড়িয়ে যেতে দেখেছি। এই সংক্রমণ অন্টারিওবাসীকেও আক্রান্ত করতে পারে বলে আমরা ধারণা করছি।

ডা. মুর বলেন, গত ২০ বছরে লাইম রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা বেড়ে গেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অ্যানাপ্লাজমোাসিস, বেবসিওসিস এবং পাউসান ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়েছে। অন্টারিওতেও এর সংক্রমণ দেখা দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অ্যানাপ্লাজমোসিস ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে হয়ে থাকে। কোনো টিক কাউকে কামড়ালে রক্তের মাধ্যমে এটি ছড়ায়। এর ফলে জ¦র আসে ও ঠা-া অনুভূত হয়। সেই সঙ্গে রক্তের শে^ত কনিকা, লোহিত কনিকা ও প্লাটিলেটের উৎপাদন কমিয়ে দিতে পারে।

অন্যদিকে বেবসিওসিস অনেকটা ম্যালেরিয়ার মতো। পাউসান ভাইরাসের অধিকাংশ সংক্রমণেরই কোনো লক্ষণ দেখঅ যায় না। কিন্তু কারো কারো জ¦র, মাথাব্যথা, বমিভাব, দুর্বলতা এবং ব্যথা অনুভূত হতে পারে। এগুলোর মতো গুরুতর অসুখ থেকে যারা বেঁচে ওঠেন তাদের প্রায় ৫০ শতাংশকে দীর্ঘমেয়াদি সমস্যায় ভুগতে হয়। এসব সমস্যার মধ্যে রয়েছে মাথাব্যথা, মাংপেশীর শক্তি কমে যাওয়া এবং স্মৃতিশক্তি হ্রাস পাওয়া।

- Advertisement -

Read More

Recent