শুক্রবার - জুলাই ১৯ - ২০২৪

ট্রুডো-সোফি বিচ্ছেদ এবং…

লিবারেলদের পক্ষ থেকে এটা নিশ্চিত করা হয়েছে যে ট্রুডো রিডো কটেজে বসবাস অব্যাহত রাখবেন এবং প্রাথমিকভাবে সন্তানরা সেখানেই থাকবে জাস্টিন ট্রুডো অটোয়াতে আরেকটি বাড়িতে গিয়েছেন তবে সন্তানদের সঙ্গে কটেজেই থাকবেন

১৮ বছরের দাম্পত্ত জীবন শেষে বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ও সোফি গ্রেগোয়ার। ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে তারা বলেছেন, অর্থপূর্ণ এবং কঠিন অনেক কথাবার্তা শেষে আমরা বিচ্ছেদের এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি। বরাবরের মতোই আমরা পরস্পরের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও সম্মান নিয়ে ঘনিষ্ঠ পরিবার হিসেবে থেকে যাবো। আমরা যা তৈরি করেছি এবং যা নির্মাণ করে যাবো সেজন্যও। আমাদের সন্তানদের মঙ্গলের জন্য তাদের ও আমাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতি আপনারা সম্মান দেখাবেন।

তিন সন্তান ১৫ বছর বয়সী জেভিয়ার, ১৪ বছল বয়সী এলা-গ্রেস ও নয় বছরয় বয়সী হ্যাড্রিয়েনের অভিভাবকত্ব তারা ভাগাভাগি করে নেবেন।

- Advertisement -

লিবারেলদের পক্ষ থেকে এটা নিশ্চিত করা হয়েছে যে, ট্রুডো রিডো কটেজে বসবাস অব্যাহত রাখবেন এবং প্রাথমিকভাবে সন্তানরা সেখানেই থাকবে। জাস্টিন ট্রুডো অটোয়াতে আরেকটি বাড়িতে গিয়েছেন। তবে সন্তানদের সঙ্গে কটেজেই থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত সম্পর্কিত আইনি ও নৈতিক সব পদক্ষেপ নিশ্চিত করতে এই দম্পতি বিচ্ছেদ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। কানাডিয়ানরা এখনো এই পরিবারকে একত্রে দেথার প্রত্যাশা করতে পারেন এবং আগামী সপ্তাহে তারা একসঙ্গে ছুটিতে যাচ্ছেন। গত এপ্রিলে মন্টানা এবং বড়দিনের ছুটিতে জ্যামেইকাতে তারা পরিবার হিসেবেই ছুটি উপভোগ করেছেন।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গ্রেগোয়ার ট্রুডোকে সেভাবে দেখা যায় না। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি সফরে তাকে খুব কমই দেখা যায়। সর্বশেষ তাদের একসঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা গিয়েছিল অটোয়াতে কানাডা দিবসের অনুষ্ঠানে। জুলাইয়েও তিনি একবার জনসমক্ষে এসেছিলেন।

৫১ বছর বয়সী ট্রুডো ও ৪৮ বছর বয়ষী গ্রেগোয়ার ট্রুডো বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন ২০০৫ সালের ২৮ মে। মন্ট্রিয়লে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। ট্রুডোর ছোট ভাইয়ের সহপাঠী হওয়ার সুবাদে শৈশবেই তাদের দেখা হয়। ২০০৩ সালে একটি চ্যারিটি গালার সহআয়্জোন হওয়ার সুবাদে প্রাপ্ত বয়সে আবারও মিলিত হন তারা। জেভিয়ার ও এলা-গ্রেসের জন্মের সময় শুরুর দিকে তারা মন্ট্রিয়লে বাস করতেন। ২০১০ সালে পরিবার হিসেবে তারা অটোয়াতে চলে আসেন। এর দুই বছর পর মন্ট্রিয়লের পাপিনো থেকে ট্রুডো এমপি নির্বাচিত হন। ট্রুডো কানাডার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দেড় বছর আগে অটোয়াতে হ্যাড্রিয়েনের জন্ম হয়।

গ্রেগোয়ার ট্রুডো ছিলেন কুইবেকের টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব। কিন্তু রাজধানীতে স্থানান্তরের পর এই ক্যারিয়ার ত্যাগ করেন তিনি। ২০০৪ সালে লেখা আত্মজীবনী কমন গ্রাউন্ডে ট্রুডো তাদের বিয়ের বিষয়ে কথা বলেছেন। তিনি লিখেছেন, এটা কঠিণ উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গেছে। কিন্তু তারা ছিলেন সত্যিকারের পার্টনার। বইটি তিনি তার স্ত্রীকে উৎসর্গ করেছেন।

তিনি লিখেছেন, আঘাত দিলেও আমরা একে অপরের প্রতি সৎ থাকি।

- Advertisement -

Read More

Recent