শনিবার - মার্চ ২ - ২০২৪

আর্থিক দুর্দশায় কানাডিয়ান কর্মীরা

আর্থিক দুর্দশায় পড়া কানাডিয়ান কর্মীর সংখ্যা বেড়েছে

আর্থিক দুর্দশায় পড়া কানাডিয়ান কর্মীর সংখ্যা বেড়েছে। ন্যাশনাল পেরোল ইনস্টিটিউট পরিচালিত সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় এমনটাই উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে এই অবস্থাকে গুরুতর আর্থিক ঝড় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা ধারণার চেয়ে অনেক তীব্র।

কর্মজীবী কানাডিয়ানদের ওপর পরিচালিত ১৫তম বার্ষিক সমীক্ষাটি ন্যাশনাল পেরোল ইনস্টিটিউটের পক্ষে পরিচালনা করেছে ফাইন্যান্সিয়াল ওয়েলনেস ল্যাব। তাতে দেখা গেছে, দুর্দশাগ্রস্ত হিসেবে কর্মীর সংখ্যা গত বছরের তুলনায় ২০ শতাংশ বেড়েছে। বর্তমানে এই শ্রেণির কর্মীর হার দাঁড়িয়েছে ৩৭ শতাংশ। ২১ জুলাই থেকে ১ আগস্ট পর্যন্ত দেড় হাজার কানাডিয়ান কর্মীর ওপর সমীক্ষাটি চালানো হয়।

- Advertisement -

পেরোল সমীক্ষা অনুযায়ী, আর্থিক দুর্দশাগ্রস্ত ৬৩ শতাংশ কর্মী টিকে থাকার প্রয়োজনে তাদের বেতনের সবটাই খরচ হয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন। ৩০ শতাংশ ঋণ করার বা সঞ্চয় থেকে ব্যয় করার কথা জানিয়েছেন। কারণ, বর্তমান বেতন তাদের জীবনযাপনের জন্য যথেষ্ট নয়।

দুর্দশাগ্রস্ত এই কর্মীদের পক্ষে এখন গত দশকের যেকোনো সময়ের চেয়ে অর্থ সঞ্চয় করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ন্যাশনাল পেরোল ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট পিটার জ্যানেটাকিস এক লিখিত বিবৃতিতে বলেছেন, এই ঝড়ের বিপজ্জনক বার্তা হলো আর্থিক এই দুর্দশা উৎরানো কানাডিয়ানদের জন্য আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে।

সমীক্ষা অনুযায়ী, আর্থিক দুর্দশায় থাকা কানাডিয়ান কর্মীদের ৬৬ শতাংশ বেতনের সবটাই খরচ করে ফেলছেন। ৫০ শতাংশকে আবার পরিবারের ব্যয় নির্বাহে ঋণ করতে হচ্ছে। আর্থিক দুর্দশায় নিপতিত প্রায় ৩০ শতাংশ কানাডিয়ান কর্মী বছরে এক লাখ ডলারের বেশি আয় করেন।

সমীক্ষা প্রতিবেদনের লেখকরা বলছেন, আর্থিক দুর্দশার ক্ষতিকর প্রভাব কর্মক্ষেত্র এবং বাড়ি দুই জায়গাতেই প্রকট হয়ে উঠছে। আর্থিক দুর্দশায় থাকা ৫৫ শতাংশ কানাডিয়ান কর্মী জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে নিজেদের অনেক বেশি বিচ্ছিন্ন বোধ করছেন বলে জানিয়েছেন। এই দুর্দশা থেকে নিকজনদেরকেও তারা দূরে রাখতে পারছেন না। প্রতি দুইজনের মধ্যে একজন স্বীকার করেছেন যে, তাদের প্রিয়জনরাও এই আর্থিক দুর্দশা টের পাচ্ছেন।

আর্থিক দুর্দশা উৎপাদনক্ষমতাও কমিয়ে দিচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৪০ শতাংশ কানাডিয়ান কর্মী বলেছেন, কর্মক্ষেত্রে তাদের পারফরমেন্সকে আর্থিক দুর্দশার প্রভাব থেকে তারা মুক্ত রাখতে পারছেন না।

This article was written by Rezaul Haque as part of the LJI

- Advertisement -

Read More

Recent