শুক্রবার - জুলাই ১৯ - ২০২৪

ইসরায়েলের প্রতি কানাডার দীর্ঘদিনের সমর্থন চাপের মুখে

কানাডা ফরেন পলিসি জার্নালের সম্পাদক ও কার্লেটন ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক ডেভিড কারমেন্ট বলেন ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের সমর্থনে আনা একটি প্রস্তাবের পক্ষে ২০২০ সালের নভেম্বরে কানাডা ভোট দিলে চাপের মুখে পড়েন লিবারেলনার

জাতিসংঘের ভোটাভুটিতে ইসরায়েলের প্রতি কানাডার দীর্ঘদিনের যে সমর্থন চলমান ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের মধ্যে তা নতুন করে প্রশ্নের মুখে পড়ে গেছে। গাজা ভূখ-ে স্থায়ী মানবিক যুদ্ধবিরতি চেয়ে ২৭ অক্টোবর যে প্রস্তাব আনা হয় তাতে ভোটদানে বিরত থাকে কানাডা। গত সপ্তাহে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি সংক্রান্ত আরেকটি প্রস্তাব আনা হলে তার বিপক্ষে ভোটদানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে অবস্থান নেয় কানাডা।

ফিলিস্তিনিদের জন্য মানবিক সহায়তা প্রদানে জাতিসংঘের সংস্থাকে কাজে বাধা না দিতে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানানোর একটি প্রস্তাব গত সপ্তাহে যে চারটি দেশ প্রত্যাখ্যান করে তারও অন্যতম কানাডা। ইসরায়েলের মধ্যে আরবদের সম্পত্তির অধিকার স্বীকার করে নেওয়া সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করেছে অটোয়া।

- Advertisement -

ফিলিস্তিনিদের প্রতি আচরণের নিন্দা জানিয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে প্রস্তাব উত্থাপন নিয়মিত ঘটনা। অনেক আরব দেশের যুক্তি, ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে। ইসরায়েল অবশ্য এসব দাবি অস্বীকার করে আসছে।

ন্যাটোর সাবেক কানাডিয়ান দূত কেরি বাক এক্স-এ এক পোস্টে বলেছেন, ২০০৪ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত পল মার্টিনের লিবারেল সরকারের সময়েই অটোয়া মূলত ইসরায়েলপন্থী অবস্থান নেয়। কনজার্ভেটিভ প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন হারপারের সময় এই প্রবণতা বেড়ে যায় এবং বর্তমান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো তা বহাল রেখেছেন। ছোট কোনো পরিবর্তনও এক্ষেত্রে গুরুত্বের দাবিদার।

৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলে হামলা চালানোর পর জাতিসংঘে কানাডার মিশনের ভোট আরও বেশি দৃষ্টি কেড়েছে। কানাডার প্রতিনিধি তাদের এই অবস্থান স্পষ্ট করে বিবৃতি দেওয়ার এক অস্বাভাবিক পদক্ষেপ নিয়েছেন। ৯ নভেম্বর মিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রতি বছরই আরব-ইসরায়েল সংঘাত নিয়ে অনেক বেশি রেজ্যুলুশন জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে রাখা হয়। এ নিয়ে আমাদের দীর্ঘদের উদ্বেগকেই গুরুত্ব দিতে চাই। এসব রেজ্যুলুশনের অনেকগুলোই ইসরায়েলের প্রতি ন্যায়সঙ্গত নয়।

কানাডা ফরেন পলিসি জার্নালের সম্পাদক ও কার্লেটন ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক ডেভিড কারমেন্ট বলেন, ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের সমর্থনে আনা একটি প্রস্তাবের পক্ষে ২০২০ সালের নভেম্বরে কানাডা ভোট দিলে চাপের মুখে পড়েন লিবারেলনার। কানাডা ইসরায়েল-ফিলিস্তিন দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের অবসানে দুই রাষ্ট্র সমাধানের কথা বলে আসছে।

- Advertisement -

Read More

Recent