শনিবার - মার্চ ২ - ২০২৪

পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন ছাড়াই জি ক্লাস ড্রাইভিং টেস্টে পরির্বতন

কোভিড ১৯ মহামারির বন্ধের কারণে সৃষ্ট স্তূপ কমাতেই পরীক্ষায় এই পরিবর্তন আনা হয়েছিল সেগুলো সাময়িক পদক্ষেপ হবে বলে ধরে নেওয়া হয়েছিল

নিরাপত্তা মূল্যায়ন বা মন্ত্রিসভার অনুমোদন ছাড়াই অন্টারিওর জি ক্লাস ড্রাইভিং টেস্ট থেকে সুনির্দিষ্ট কিছু বিষয় বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রদেশের অডিটর জেনারেল এমনটাই জানিয়েছেন।

২০২৩ সালের অ্যানুয়াল জেনারেল রিপোর্টে ভারপ্রাপ্ত অডিটর জেনারেল নিক স্টাভরোপোলোস বলেছেন, উপযুক্ত নীতি বিশ্লেষণ ছাড়াই পরীক্ষায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। অর্থাৎ, সরকারের ভাষায় জরুরি থামা, থ্রি-পয়েন্ট টার্ন এবং সমান্তরাল পার্কিংয়ের মতো বিষয়গুলোর দ্বৈততা এড়াতে এগুলো সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

- Advertisement -

কোভিড-১৯ মহামারির বন্ধের কারণে সৃষ্ট স্তূপ কমাতেই পরীক্ষায় এই পরিবর্তন আনা হয়েছিল। সেগুলো সাময়িক পদক্ষেপ হবে বলে ধরে নেওয়া হয়েছিল। যদিও ২০২২ সালের জুনে সরকার এই ঘোষণা দেয় যে, পরিবর্তিত এই পরীক্ষা পদ্ধতি স্থায়ীভাবে থেকে যাবে। কারণ হিসেবে অন্টারিওজুড়ে জি ক্লাস রোড টেস্টের ব্যাপক চাহিদার কথা বলা হয়।

সে সময় পরিবহনমন্ত্রী ক্যারোলাইন মালরোনি বলেছিলেন, প্রক্রিয়াটি সহজ করতে সহায়ক হবে এটি।

যদিও অডিটর জেনারেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্যদেশের প্রায় ৫৪ হাজার চালক, যাদের তাদের দেশের ড্রাইভার’স লাইসেন্স রয়েছে তারা জি২ রোড টেস্ট পাশ কাটিয়ে যেতে পারেন এবং অন্টারিওতে ওইসব কৌশলের ওপর তাদের আর পরীক্ষা দিতে হচ্ছে না। সমান্তরাল পার্কিং, থ্রি-পয়েন্ট টার্ন ও পথচারীদের কাছাকাছি ড্রাইভিংয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতার মতো বিষয়গুলো ধারাবাহিকভাবে মূল্যায়ন করে দেখা হয়নি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৫ রাখ যাত্রী রোড টেস্টের স্তূপ কমাতে সহায়তার লক্ষ্যে ২০২০ সালে মন্ত্রণালয় অতিরিক্ত ৮৪ জন ড্রাইভার প্রশিক্ষক নিয়োগে তহবিল দিয়েছিল।

স্টাভরোপোলোস লিখেছেন, মন্ত্রণালয় সে সময় টেকসই সমাধান হিসেবে জি রোড টেস্টের শর্ত কমানোর বিষয়টি বিবেচনায় নেয়নি। কারণ, নীতি পরিবর্তনের জন্য পুক্সক্ষানুপুক্সক্ষ নীতি বিশ্লেষণ দরকার। যেমন এসব নীতি পরির্বতনের প্রভাব সড়ক নিরাপত্তার ওপর পড়বে কিনা সেগুলো।

- Advertisement -

Read More

Recent