শনিবার - মার্চ ২ - ২০২৪

মৌলিক চাহিদা মেটাতে না পারার শঙ্কায় ২৫% কানাডিয়ান

মৌলিক চাহিদা মেটাতে না পারার শঙ্কায় ২৫ কানাডিয়ান

মৌলিক প্রয়োজনগুলো মেটাতে পর্যাপ্ত আয় নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন প্রতি চারজনের মধ্যে একজন কানাডিয়ান। সবচেয়ে বেশি অনটনের মুখে রয়েছে সিঙ্গেল প্যারেন্টারা। সালভেশন আর্মির নতুন এক সমীক্ষায় এমনটাই উঠে এসেছে।

সমীক্ষা অনুযায়ী, প্রায় অর্ধেক অর্থাৎ ৪০ শতাংশ সিঙ্গেল প্যারেন্ট মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। একক ব্যক্তির পরিবারের ক্ষেত্রে এ হার ৩১ শতাংশ। কেয়ারগিভারদের মধ্যেই হারটি একইরকম।

- Advertisement -

এডেলম্যান ডেটা অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্সের তথ্য অনুযায়ী, সন্তান বা পরিবারের অন্যরা যাতে খেতে পারে সেজন্য প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন কানাডিয়ান নিজেরা কম খাচ্ছেন। গত বছর প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন কানাডিয়ান এক বেলার খাবার এড়িয়ে গেছেন বা পরিমাণে কম খেয়েছেন। কারণ, পণ্য কেনার যথেষ্ট সামর্থ তাদের ছিল না। সিঙ্গেল প্যারেন্টদের মধ্যে এ হার প্রায় অর্ধেকে উন্নীত হয়েছে।

১ হাজার ৫১৫ জন কানাডিয়ানের ওপর ১২ থেকে ১৯ অক্টোবর গবেষণাটি চালানো হয়। তবে ইয়ুকন, নর্থইস্ট টেরিটোরিজ এবং নুনাভাটের লোকজনকে এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

সালভেশন আর্মির টেকনিক্যাল কমিউনিকেশন সেক্রেটারি লেফটেন্যান্ট কর্নেল জন মারে বলেন, তারা সেই মানুষ যাদেরকে আমি, আপনি এবং প্রত্যেক কানাডিয়ান চেনেন। আমার মনে হয় কোনো এক সময় সমস্যায় থাকা ব্যক্তিরা ছিল অন্য কমিউনিটির, দেশের অন্য অংশের। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে এ সমস্যা সবখানেই।

আবাসন নিরাপত্তা এখনো কানাডিয়ানদের বড় উদ্বেগ হয়ে রয়ে গেছে। প্রতি ১০ জনের মধ্যে একজন কানাডিয়ান খাদ্য ও আবাসনের মতো মৌলিক মানবিক চাহিদা পূরণ নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। অথবা তারা জরুরি পরিস্থিতি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
ফুড ব্যাংকে যাওয়া মানুষের সংখ্যাও ক্রমেই বাড়ছে। ফুড ব্যাংকের ওপর নির্ভরশীল ২২ শতাংশ মানুষ সপ্তাহে এক বা তার বেশিবার ফুড ব্যাংক পরিদর্শন করেছেন। ২০২২ সালে যেখানে এই মানুষের হার ছিল ১৮ শতাংশ। ২০২৩ সালে ফুড ব্যাংকের সহায়তা নেওয়া ব্যক্তিদের প্রায় অর্ধেকই নতুন।

মারে বলেন, এ বছর আমরা আরেকটি বিষয় আবিস্কার করেছি। সেটা অবশ্য আমাদের অবাক করেনি। তা হলো সালভেশন আর্মির মতো সংগঠনের কাছে সহায়তা চাওয়া ব্যক্তিদের ৩৪ শতাংশ শিশু।

প্রতিবেদন বলছে, কানাডায় যে অনুপাতে মানুষ খাদ্য ও আবাসন নিরাপত্তার পাশাপাশি স্বাস্থ্য সমস্যা এবং সীমিত সম্পদের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে আগামী ছয় মাসে তার লক্ষণীয় কোনো উন্নতির আশা নেই।

- Advertisement -

Read More

Recent