বৃহস্পতিবার - এপ্রিল ১৮ - ২০২৪

নিজের পক্ষে সর্বোচ্চ আদালতের রায় পেলেন ডগ ফোর্ড

মন্ত্রিসভার প্রতি প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ডের ম্যান্ডেট লেটার যে ফ্রিডম অব ইনফরমেশন আইন থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত তার সঙ্গে একমত পোষণ করেছে কানাডার সর্বোচ্চ আদালত

মন্ত্রিসভার প্রতি প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ডের ম্যান্ডেট লেটার যে ফ্রিডম অব ইনফরমেশন আইন থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত তার সঙ্গে একমত পোষণ করেছে কানাডার সর্বোচ্চ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট অব কানাডার এই রায় ২ ফেব্রুয়ারি সকালে প্রকাশ করা হয়। গত এপ্রিলে সাত বিচারপতির প্যানেল মামলাটি শোনে।

আদালত তাদের সিদ্ধান্তে জানায়, বিশেষ কিছু নীতিতে গুরুত্বারোপের ব্যাপারে প্রিমিয়ারের দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হয়েছে ম্যান্ডেট লেটারে।

- Advertisement -

বিচারপতি অ্যান্ড্রোমাশ কারাকাটসানিস রুলিংয়ে বলেন, সিদ্ধান্ত কখন এবং কীভাবে ঘোষণা করা হবে সেই আধিকার প্রিমিয়ার ও মন্ত্রিসভার রয়েছে। মন্ত্রিসভার গোপনীয়তা দায়িত্বশীল সরকারকে তার কার্যক্রম সঠিকভাবে সম্পাদনে সহায়তা করে। নীতি বিতর্কে মন্ত্রীরা নিজেদেরকে যেনো দূরে সরিয়ে না রাখেন সেটা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি নীতি সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও তা ঘোষিত হলে মন্ত্রীরা জনগণের মধ্যে দাঁড়াবেন এবং সামগ্রীকভাবে দায়বদ্ধ থাকবেন।

এই রায় ছিল সর্বসম্মত। মামলাটি শুরু হয় ছয় বছর আগে। ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ডের মন্ত্রীদের লেখা ২৩টি ম্যান্ডেট লেটার চেয়ে সিবিসি ফ্রিডম অব ইনফরমেশন আবেদন করেছিল ওই সময়।

ম্যান্ডেট লেটার সাধারণত জেনেরিক নথি, যেখানে একজন মন্ত্রীর দায়িত্বের রূপরেখা উল্লেখ করা থাকে। সেই সঙ্গে প্রিমিয়ারের অগ্রাধিকারগুলোও উল্লেখ করা হয়ে থাকে।

ফ্রিডম অব ইনফরমেশন অ্যান্ড প্রটেকশন অব প্রাইভেসি অ্যাক্টের ১২ অনুচ্ছেদের কথা বলে সরকার সিবিসির অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে। মিডিয়া আউটলেটটি পরে অন্টারিও ইনফরমেশন অ্যান্ড প্রাইভেসি কমিশনারের (আইপসি) কাছে আপিল করে এবং তারা চিঠিগুলো প্রকাশেল আদেশ দেয়। সরকার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আরও দুই প্রাদেশিক আদালতে আপিল করে। সেখানে তাদের আবেদনগুলো বাতিল হয়ে যায়। সুপ্রিম কোর্ট অব কানাডাই কেবল এই ইস্যুতে ফোর্ড সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং কমিশনারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তাদের আপিল গ্রহণ করেছে।

কারাকাটসানিসের মতে, এ ব্যাপারে আইপিসির সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক।

- Advertisement -

Read More

Recent