শুক্রবার - মে ২৪ - ২০২৪

চোরাই গাড়ির রপ্তানি ঠেকাতে অটোয়ার নতুন ২৮ মিলিয়ন ডলার

চোরাই গাড়ির রপ্তানির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নতুন করে ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার বরাদ্দ রাখছে ফেডারেল সরকার

চোরাই গাড়ির রপ্তানির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নতুন করে ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার বরাদ্দ রাখছে ফেডারেল সরকার। ফেডারেল সরকার ৭ ফেব্রুয়ারি জানিয়েছে, এই অর্থ চোরাই গাড়ির কনটেইনার শনাক্ত ও তল্লাশিতে কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সির সক্ষমতা আরও বাড়াবে।

কানাডার অভ্যন্তরে এবং আন্তর্জাতিক পরিম-লে অংশীজনদের সঙ্গে সহযোগিতা ও তথ্য বিনিময় শক্তিশালী করতেও ভূমিকা রাখবে এই তহবিল। যাতে করে এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।

- Advertisement -

গাড়ি চুরি নিয়ে জাতীয় সম্মেলনের আগে এই ঘোষণা দেওয়া হলো। সম্মেলনে সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সারাদেশ থেকে অটো শিল্পের নেতা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। ফেডারেল কনজার্ভেটিভদের কাছ থেকে অব্যাহত চাপও এই ঘোষণা দিতে সরকারকে বাধ্য করেছে। সমস্যাটি সমাধানে ধারণা হাজির করতে যাচ্ছে বিরোধী দল।

ফেডারেল সরকার বলেছে, কানাডায় প্রতি বছর ৯০ হাজার গাড়ি চুরি যায়। এর ফলে কানাডিয়ান ইন্স্যুরেন্স পলিসি হোল্ডার ও করদাতাদের ক্ষতি হয় প্রায় ১০০ কোটি ডলার।

গাড়ি চুরিকে কম ঝুঁকির উচ্চ মুনাফার কারবার হিসেবে দেখা হয় এবং চোরেরা সব সময়ই কাক্সিক্ষত, নতুন মডেলের এসইউভি বা ট্রাক মালিকের বাড়ির পাবলিক স্পেস থেকে চুরির চেষ্টা করে। গাড়ির প্রবেশ পেতে তারা উন্নতমানের ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে থাকে বলে জানিয়েছে সরকার।

চুরি করা এসব গাড়ি এরপর রপ্তানি করা হয় অথবা যন্ত্রাংশ খুলে আলাদা করা হয়। সরকারের তথ্য অনুযায়ী, বিদেশে পাঠানো অধিকাংশ গাড়ির গন্তব্য থাকে আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্য। চুরি করা কিছু গাড়ি কানাডার অভ্যন্তরেও থাকে, যেগুলো অন্যান্য অপরাধমূলক কাজে ব্যবহার করা হয়।

This article was written by Rezaul Haque as part of the LJI

- Advertisement -

Read More

Recent