বৃহস্পতিবার - এপ্রিল ১৮ - ২০২৪

ভুয়া চীনা পুলিশের হয়রানি বাড়ছে

চলমান নিপীড়নের ঘটনায় ইয়র্ক রিজিয়নের চীনা কমিউনিটির লোকজনকে লক্ষ্যে পরিণত করা হচ্ছে এসব ঘটনায় ভুয়া চীনা আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তারা বাসিন্দাদের গ্রেপ্তার অথবা দেশে ফেরত পাঠানোর হুমকি দিচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ

চলমান নিপীড়নের ঘটনায় ইয়র্ক রিজিয়নের চীনা কমিউনিটির লোকজনকে লক্ষ্যে পরিণত করা হচ্ছে। এসব ঘটনায় ভুয়া চীনা আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তারা বাসিন্দাদের গ্রেপ্তার অথবা দেশে ফেরত পাঠানোর হুমকি দিচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ধরনের একাধিক ঘটনার পর ইয়র্ক রিজিয়নাল পুলিশ (ওয়াইআরপি) ৪ মার্চ জনগণের উদ্দেশে একটি সতর্ক বার্তা ইস্যু করেছে। পুলিশ বলেছে, তিনটি ঘটনায় ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে সাকল্যে ১০ লাখ ডলারের বেশি হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারকরা। ভুক্তভোগীদের নাগাল পেতে প্রতারকরা নানা কৌশল অবলম্বন করে থাকে।

- Advertisement -

অনেক সময় ভুক্তভোগীকে ফোন করে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বার্তা পাঠায় এবং কৌশলে তাদের মধ্যে এই বিশ^াস তৈরি করে যে, চীনে তারা আইনি ঝামেলায় পড়েছে। প্রায় সময়ই তারা দাবি করে যে, ভুক্তভোগীদের ব্যক্তিগত তথ্য খোয়া গেছে অথবা তারা অর্থ পাচার বা মাদক পাচারের মতো অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত।

সন্দেহভাজনরা এরপর জালিয়াতিপূর্ণ আইনি সমস্যা সমাধানে অর্থ অথবা ব্যক্তিগত তথ্য চায়। এখন পর্যন্ত ঠিক কত সংখ্যক মানুষ এই প্রতারণার কবলে পড়েছে তা নিশ্চিত নয়। এ ধরনের প্রতারণা থেকে বাসিন্দাদের সুরক্ষায় বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ।

নথিকরণ অথবা সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে ফোনদাতার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া এর মধ্যে অন্যতম। পাশাপাশি হুমকির ব্যাপারে সন্দেহ পোষণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ, সরকারি সংস্থা সাধারণত সঠিক প্রক্রিয়া ছাড়া ফোনে কাউকে গ্রেপ্তার বা কারো বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের হুমকি দেয় না।

ফোনে অথবা ইমেইলে ব্যক্তিগত তথ্য না পাঠানোরও আহ্বান জানিয়েছেপুলিশ। পদক্ষেপ নেওয়ার আগে ফোন কলের বিষয়টি নিয়ে বন্ধু অথবা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। সর্বোপরি এ ধরনের ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তা অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

- Advertisement -

Read More

Recent