রবিবার - জুলাই ১৪ - ২০২৪

ভারতীয় পণ্য বর্জন

ভারতীয় পণ্য বর্জন আন্দোলন নিয়ে নানান রকম কথাবার্তা হচ্ছে

ভারতীয় পণ্য বর্জন আন্দোলন নিয়ে নানান রকম কথাবার্তা হচ্ছে। এ নিয়ে কিছু লিখতে চাইনি। কিন্তু কিছু মানুষের চরম কটাক্ষ ও বিদ্রুপের কারণে দু’একটা প্রশ্ন করতে চাই বলে লিখছি।

ইতোমধ্যে ভারতের পণ্য বর্জন আন্দোলনে জনগনের ব্যাপক সাড়া পড়ায় সরকার বেকাদায় পড়েছে। এখন তারা উঠে পড়ে লেগেছে এই সামাজিক আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ ও কঠোরহস্তে দমনে। এর সাথে কিছু মানুষ দেশে ও বিদেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। মন্ত্রীদের সাথে সুর মিলিয়ে এরা বলছেন, এই আন্দোলন করে বাজার অস্থিতিশীল করা হচ্ছে!

- Advertisement -

শুনে খুব হাসি পেয়েছে। ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্চা লাফায় যেমন, তেমন করে নাকি আন্দোলনকারীরা লাফাচ্ছে। হা হা হা

তাত্ত্বিক আলোচনায় যাব না। এই প্রশ্নকারীদের কাছে একটু জানতে চাই,

১.বাজার কারা নিয়ন্ত্রন করে?

২.আমদানীকারক কারা?

৩. বাজার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দ্রব্যমূল্যের কারা বৃদ্ধি করে?

৪.ভারত কি আমাদের বিনামূলে পণ্য সরবরাহ করে?

৫. ভারত নির্ভর আমদানী কেন হতে হবে?

৬. অর্থ দিয়ে যদি আমদানী করতে হয়, তবে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত হতে আমদানী কেন করা যাবে না?

আন্দোলকারীরা নিশ্চয় আমদানী করে না, বাজার অস্থিতিশীল করে না। এমন কি ক্রেতা বা ভোক্তাও নয়।

আন্দোলকারীরা মানুষকে শুধু আহবান জানিয়েছে, ভারতের পণ্য বর্জনের। এর কারণ কি, কেন সেই বিষয় পরিস্কার বক্তব্য তারা পূর্বেই গণমাধ্যমের কাছে দিয়েছে।

পণ্য বর্জন করা না করা ক্রেতা ভোক্তার অধিকার। জোর করে কেউ কাউকে বাধ্য করছে না যে,আপনি বর্জন করুন বা কিনুন।

ভারতের জনগন আন্দোলনকারীদের শত্রু নয়, বন্ধু। ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের বাংলাদেশ সম্পর্কিত নীতি নিয়ে আন্দোলনকারীরা হতাশ এবং ক্ষুব্ধ। এই কারণেই ভারতের মোদী সরকারকে তাদের দেশের অভ্যন্তরে ব্যবসায়ী ও রফতানীকারকদের কাছে চাপে ফেলতে ভারতের পণ্য বর্জন আন্দোলন।

মন্ট্রিয়েল, কানাডা

- Advertisement -

Read More

Recent