শুক্রবার - জুন ২১ - ২০২৪

ক্যাম্পাসে ফিলিস্তিনপন্থীদের তাঁবু গাঁড়ার বিপক্ষে অর্ধেক কানাডিয়ান

ফিলিস্তিনপন্থীদের তাঁবু গেঁড়ে বিক্ষোভের বিপক্ষে নন বলে জানিয়েছেন প্রায় অর্ধেক কানাডিয়ান

ফিলিস্তিনপন্থীদের তাঁবু গেঁড়ে বিক্ষোভের বিপক্ষে নন বলে জানিয়েছেন প্রায় অর্ধেক কানাডিয়ান। বেশ কিছু বিশ^বিদ্যালয়ে এ ধরনের তাঁবু গাঁড়াও হয়েছে।

গত সপ্তাহে পরিচালিত লেজারের এই সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী মাত্র ৩১ শতাংশ উত্তরদাতা বলেন, তারা এই তাঁবুকে সমর্থন করেন। এই বিক্ষোভের বিরোধিতা করেন ৪৮ শতাংশ। এ ব্যাপারে কিছু জানেন না বলে মন্তব্য করেন সমীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রতিক পাঁচজনের মধ্যে একজন।

- Advertisement -

তাঁবু বিছিয়ে বিক্ষোভ শুরু হয় এক সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে। শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা কোম্পানিগুলোতে তাদের বিনিয়োগ বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছেন।

ক্যাম্পাসে এ ধরনের বিক্ষোভের নিন্দা জানিয়েছে ম্যাকগিল ইউনিভার্সিটি। বিশ^বিদ্যালয়টি বলেছে, কুইবেক সরকার এ ব্যাপারে পুলিশকে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলেছে। কিন্তু আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। গত সপ্তাহে একজন বিচারক বিক্ষোভকারীদের জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়ার আদেশ চেয়ে অনুরোধ করা হলে তা ফিরিয়ে দেন।

ইউনিভার্সিটি অব অটোয়া এবং ইউনিভার্সিটি অব টরন্টোতে তাঁবু নিয়ে খুব কম সমালোচনা হয়েছে। কিন্তু কলাম্বিয়া ও ইউসিএলএর মতো যুক্তরাষ্ট্রের বিশ^বিদ্যালয়গুলোতে তাঁবু নিয়ে পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ পর্যন্ত হয়েছে এবং শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস ভবনের মধ্যে নিজেদেরকে ঘিরে রাখেন।

লেজারের সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৪৪ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, তাঁবু ভেঙে দেওয়া উচিত বলে তারা মনে করেন। কারণ, ক্যাম্পাস ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য এটা হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে বিক্ষোভকারীরা কেবল ইহুদিবিদ্বেষী মনোভাব প্রকাশ করলে অথবা কোনো ধরনের বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য দিলে তবেই তাদেরকে সরিয়ে দেওয়া উচিত বলে মনে করেন সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৩৩ শতাংশ উত্তরদাতা। বাক স্বাধীনতার ধরন হিসেবে বিক্ষোভকে মেনে নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন সমীক্ষায় অংশ নেওয়া মাত্র ২৩ শতাংশ কানাডিয়ান।

উল্লেখ্য, ১ হাজার ৫১৯ জনের ওপর সমীক্ষাটি চালানো হয়।

- Advertisement -

Read More

Recent