শুক্রবার - জুলাই ১৯ - ২০২৪

মানস চৌধুরীর বই

মানস চৌধুরীর লেখা নিয়ে আমি কখনো কিছু লিখেছি কিনা তা মনে পড়ে না। মানস চৌধুরীর লেখা, একটা শুরু হয় এমন করে যেন বা মায়াময়তায় ঘেরা কোন গহীন নদীর টলমল জল, কয়েক লাইন বা একটা পাতা পার হয় অনায়াসে, তারপর হঠাৎ করেই মৃত থেঁতলানো লাশের সারির ভিতর হোঁচট খেতে হয়। সে খুব জ্বালাময় অভিজ্ঞতা!

- Advertisement -

ধরে নিলাম ঝালমুড়ি আর চায়ের গল্প নিয়ে কথা হবে। কথা হবে শহরের বয়স বাড়ে শহর মরেনা। আবার শহর মরে যায় মানুষ মরেনা। নগরের জৈবচক্র খুবই অদ্ভুত মানুষ শহরের মতো না এমন কিছু নিয়ে, যুদ্ধের শহরেও মানুষের জন্ম হয়, মানুষ হাঁটাচলা করে এমন কিছুবা, অথচ

সেখান থেকে হেঁচকা টানে পুলিশের পেটানিতে নিয়ে যাবে। কেনরে ভাই, ভালোই তো চলছিলো সব। নিরিবিলি। যেমন আমরা থাকতে চেয়েছি সব সময় বুড়িগংগার পাড়ে!

বৃদ্ধা জলের দিকে তাকিয়ে ছিলেন কিন্তু আসলে ছিলেন না। বৃদ্ধার বয়স কত তা কোন একটা ঐক্যমত্যে পৌঁছানো যায়নি। আমাদের দ্বিধা কখনোই আমাদের সেখানে নিয়ে যায়না। যেতে দেয়না। শান্তি বুড়ির বয়সের মতো বয়স বা তার নিশ্চুপ থাকা, আমাদের মতোই।সকল আমরা।

ঢাকা শহরের মানুষ কাশবন দেখতে যায়, ছবি তোলে, পরিশেষে আবার ফিরে আসে নগরীতেই। যাকে লেখক বলেন হিয়ামারি। হিয়ামরিতে বিষাক্ত আলাপ চলতে থাকে। চলতে থাকে ভুতুরে দালানের কথাও।

সুজা, তিলোত্তমা, বা আশিকদের গল্প পার করে আবার চলে আসে গ্রেপ্তার কিংবা গাঁওগেরাম খেদানির পরিকল্পনা!

সুজার নিখোঁজ হওয়া, পুলিশের জিপ। একবার নরম জলে কোমল স্নানের অনুভুতি দিয়ে দড়াম করে মাটির উপড় এমন লাগাতার দাঁড় করান মানস চৌধুরী।

তাই পাঠ্য সহজ হয় না। কঠিনেরে ভালোবাসিলাম মনে করে পড়া শেষ করতে হয়। তিনি জানেন বা তাঁকে বলিনা যে আমি কখনো পড়ি । কখনো কখনো।

 

বই :
শান্তি বুড়ির
ধবল গাই
মধ্যরাতে
শহর সফরে
এসে থাকতে
পারে

- Advertisement -

Read More

Recent