শুক্রবার - জুলাই ১৯ - ২০২৪

মেধাবী ছড়াকার রোমেন রায়হান

মেধাবী ছড়াকার রোমেন রায়হান

আমাদের সময়ে শিশুসাহিত্যের সবচেয়ে মেধাবী ও উজ্জ্বল নক্ষত্র ছড়াকার রোমেন রায়হান। সর্ব বিষয়ে দু’হাত খুলে যে লিখতে পারে, যার হাতে ছড়া দ্যুতি ছড়ায়। তার প্রতিটি ছড়ার বিষয়বস্তু ছন্দ অন্তমিল অনায়াসে পাঠকের মনে দোলা দেয়। ছোটদের ছড়ায় শুধু মনভোলানো নয়, কল্প বিজ্ঞানের ছড়াগুলো কচিমনে নানান প্রশ্ন তৈরি করে, ভাবতে শেখায়। আবার বড়দের জন্য লেখা সমাজমনস্ক ছড়াগুলোতে উঠে এসেছে নানান অসঙ্গতি। পাশাপাশি প্রেম,ভালবাসা বিচ্ছেদ কিংবা ফিল্মি ছড়াগুলো হাস্যরস, ব্যঙ্গাত্মক রসবোধে সব বয়সী পাঠকের কাছে তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

আমাদের সময়ের অনেক ছড়াকার প্রচুর ছড়া লিখেন কিন্তু রোমেন রায়হান যা লিখেছেন তা শুধু সংখ্যায় নয়, গুনগত , শিল্পমানসম্পন্ন ছড়াই হয়ে উঠেছে। অন্যদশজনের চেয়ে রোমেন ব্যতিক্রম। সে নিজেই শুধু ভাল লিখেন না, সমসাময়িক অন্যদেরও লেখা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়েন এবং ভাল লেখার জন্য প্রানিত করেন।

- Advertisement -

বাংলা শিশুসাহিত্যের এই মেধাবী ও অন্যতম শ্রেষ্ট ছড়াকার রোমেন রায়হানের জন্মদিনে অনেক অনেক শুভকামনা। ভাল থেকো বন্ধু, শতায়ু হও।

ফুটনোট :
গত এক বছর হাসপাতালে যাতায়াতের কথা লেখা হয়নি। কারণ আছে, পরে বলব। দাঁতের সমস্যার জন্য এ বছরের শুরুতে হাসপাতাল না গিয়ে সরাসরি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা করিয়েছিলাম। বিপুল ব্যয়ের কারণে কানাডায় বেসরকারি চিকিৎসার নমুনা কি রকম হয়, তার ধারণা দিতে তা নিয়ে সামান্য কিছু লিখেছিলাম ।

যাহোক, গত কয়েকমাসে আমার ও পরিবারের সদস্যদের ওপর দিয়ে নানান অসুখ বিসুখের ঝুঁটঝামেলা যাচ্ছে। ঘনিষ্ট মানুষদেরও এসব বলিনি। আজকে কর্মস্থল থেকে ফেরার পথে ভাংগা গ্লাসের টুকরো জুতো ভেদ করে পা কেটেছে, রক্তে ভেসে গেছে জুতো। কোন মদ্যপ বা হোমলেস রাস্তায় বোতল ভেংগেছে। মেজোনভ এভিনিউর পিল ক্রসিংয়ের কর্নারের ওয়াক ওয়ের এই অংশে এমনভাবে ভাংগা গ্লাসের টুকরো বা কণা পড়েছিল যা চোখেও দেখা যাচ্ছিল না।

যাহোক, হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে গেলে ৬/৭ ঘন্টা বসিয়ে রাখবে। সিএলসি বা ওয়াকিং ক্লিনিকে এখন বন্ধ হবার সময়। ডাক্তার দেখিয়ে টিটেনাস নেয়া জরুরি। তাই ফার্মাপি ভরসা, গাঁটের পয়সা গেলেও সময়ের সাশ্রয় হবে।

মন্ট্রিয়ল, কানাডা

- Advertisement -

Read More

Recent