শুক্রবার - জুলাই ১৯ - ২০২৪

ক্রমবর্ধমান সাইবার অপরাধ মোকাবিলা

জননিরাপত্তামন্ত্রী ডমিনিক লাব্লা

সাইবার আক্রমণ থেকে কানাডিয়ানদের কার্যকরভাবে রক্ষা এবং ক্রমবর্ধমান অনলাইন অপরাধ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ তিন ফেডারেল সংস্থার সক্ষমতা ও সরঞ্জামের ঘাটতি রয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন অডিটর জেনারেল কারেন হোগান।

৪ জুন প্রকাশিত প্রতিবেদনে তিনি প্রতিকার, সমন্বয়, বাস্তবায়ন, শনাক্ত এবং বিশ্লেষণে সংস্থাগুলোর মধ্যে ব্যর্থতার কথা তুলে ধরেন। হোগানের পর্যালোচনায় আরসিএমপি, কমিউনিকেশন এস্টাবলিশমেন্ট এজেন্সি এবং কানাডিয়ান রেডিও-টেলিভিশন অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন্স কমিশনের ওপর আলোকপাত করেছেন। তাতে তিনি দেখেছেন যে, কোথায় সাইবার ক্রাইমের ঘটনা জানাতে হবে অথবা একই ঘটনা অন্য কোনো সংস্থাকে যে জানানোর জন্য বলতে হবে সে ব্যাপারে লোকজনকে অন্ধকারে রাখা হয়েছে।

- Advertisement -

উদাহরণ হিসেবে, শিশু নিপীড়নের সামগ্রী বিক্রির প্রস্তাবের বিষয় জানার পরও সিআরটিসি তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে পাঠায় না। বরং তারা অভিযোগকারীকে সরাসরি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলে।

অডিটর আরও বলেছেন, আরসিএমপিকে তাদের সাইবার ক্রাইম তদন্ত টিমে প্রয়োজনীয় লোকবল পেতে হিমশিম খেতে হয়। জানুয়ারি পর্যন্ত টিমের এক-তৃতীয়াংশ পদ খালি ছিল।

২০২২ সালে প্রতারণার শিকার ব্যক্তিরা আরসিএমপির কানাডিয়ান অ্যান্টি-ফ্রড সেন্টারের কাছে সাকল্যে ৫৩ কোটি ১০ লাখ আর্থিক ক্ষতির কথা জানান। এর তিন-চতুর্থাংশ সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত। যদিও সেন্টারের হিসাব অনুযায়ী, সাইবার অপরাধের মাত্র ৫ থেকে ১০ শতাংশের কথা জানানো হয়। তড়িৎ পদক্ষেপ না নেওয়া হলে আর্থিক ও ব্যক্তিগত তথ্য চুরি কেবল বাড়তেই থাকবে। কারণ, সাইবার অপরাধ ও হামলা অভ্যাহতভাবে বাড়ছে।

জননিরাপত্তামন্ত্রী ডমিনিক লাব্লা প্রতিবেদনকে স্বাগত জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে হুমকির গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, গত এক দশকে প্রাত্যহিক প্রয়োজনে ইন্টানেটের ওপর আমাদের নির্ভরতা নিশ্চিতভাবেই বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে অবশ্যই স্বস্তি বেড়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে ঝুঁকিও বেড়েছে।

- Advertisement -

Read More

Recent