বুধবার - ফেব্রুয়ারি ২১ - ২০২৪

বডি ক্যামেরার ফুটেজ দিচ্ছে না পুলিশ

পরিচয় সনাক্তে ভুলের কারণে এমনটা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ কারণ যে কৃষ্ণাঙ্গ তরুণকে পুলিশ খুঁজছিল তিনি হাসানি নন

হাসানি ও’গিলভিকে হেনস্থা করার ঘটনার ফুটেজ পুলিশ বাহিনী আটকে রেখেছে বলে দাবি করেছে তার পরিবার ও আইনজীবী। টরন্টো পুলিশের বিরুদ্ধে তাকে ফেলে দিয়ে ঘাড়ে হাটু দিয়ে চেপে রাখার অভিযোগ উঠেছে টরন্টো পুলিশের বিরুদ্ধে।

হাসানি ও’গিলভির বাবা-মা ক্রিস্টিন ও’গিলভি এবং কেনেথ ও’গিলভি সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, উত্তর আমেরিকায় অসংখ্য কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ যে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এটা তার প্রতীকমাত্র। সংবাদ সম্মেলনে আইনজীবী ডেভিড শেলনাটও উপস্থিত ছিলেন।

- Advertisement -

শেলনাট বলেন, তিনজন কর্মকর্তা আপনাকে মাটিতে উপুড় করে ফেলে চেপে ধরে আছে, বিষয়টি কতটা আতঙ্কের ভাবাটা সত্যিই কঠিন। বিশেষ করে আপনার যেখানে কোনো দোষই নেই।

হাসানির তরফ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, ২০২১ সালের ১২ আগস্ট একটি ক্রুজার তাকে অনুসরণ করতে থাকে। ২৭ বছর বয়সী ও’গিলভি সেই সময় ইউনিভার্সিটি অব টরন্টোর জর্জ ক্যাম্পাসের বাস ধরার আগে নামছিলেন।
পরিচয় সনাক্তে ভুলের কারণে এমনটা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। কারণ, যে কৃষ্ণাঙ্গ তরুণকে পুলিশ খুঁজছিল তিনি হাসানি নন।

হাসানির দাবি, এটা জানাতে হাসানি তার নাম বলেছেন। তারপরও বিবাদ চলছিল। সংবাদ সম্মেলনে ক্রিস্টিন প্রশ্ন করেন, হাসানি নিজের পরিচয় দিয়েছে। তারপরও কেন আপনারা তার কথা বিশ^াস করলেন না? এর ফল হিসেবে আমার ছেলেকে পাশবিক নির্যাতনের মুখে পড়তে হয়েছে।

শেলনাট বলেন, কোনো ধরনের দোষ না করার পরও তার ছেলেকে গুরুতর আঘাত করা হয়েছে। শারীরিক ও মানসিক দুইভাবেই।

ক্রিস্টিনের তথ্য অনুযায়ী, নির্যাতের পর দেড় বছর পড়ালেখা বন্ধ রাখতে হয়েছে হাসানিকে। এই মাসে অনলাইনের মাধ্যমে পাঠগ্রহণ শুরু করেছে সে। সে নিজের মধ্যে গুটিয়ে গেছে। এ থেকে এখনো সে বেরিয়ে আসতে পারেনি।

হাসানি এখন টরন্টো পুলিশ সার্ভিসের বিরুদ্ধে মামলা করছেন এবং ওই ঘটনায় জড়িত তিন পুলিশ কর্মকর্তার কাছে ২৪ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করছে। পাশাপাশি প্রতিটি অধিকার লঙ্ঘন বাবদ দাবি করছেন ৫০ হাজার ডলার। এছাড়া ফ্যামিলি ল অ্যাক্টের আওতায় ক্রিস্টিনও আড়াই লাখ ডলারের ক্ষপিূরণ মামলা চালাচ্ছেন।

টরন্টো পুলিশ সার্ভিসের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়নি। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন হওয়ায় এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি টরন্টো পুলিশও।

- Advertisement -

Read More

Recent