বুধবার - ফেব্রুয়ারি ২১ - ২০২৪

চীনে কানাডার পেনশন ফান্ডের বিনিয়োগ খতিয়ে দেখার দাবি

দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের অবনতি ও এই তহবিলের কিছু চীনের উইঘুর সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়নের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠার পর এই দাবি তোলা হয়েছে

চীনে কানাডার সর্ববৃহৎ পেনশন ফান্ডের বিনিয়োগ খতিয়ে দেখার দাবি জোরালো হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের অবনতি ও এই তহবিলের কিছু চীনের উইঘুর সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়নের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠার পর এই দাবি তোলা হয়েছে।

সম্প্রতি অন্টারিও টিচার্স’ পেনশন প্ল্যান ও ব্রিটিশ কলাম্বিয়া ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট কর্পোরেশন চীন-কানাডা সম্পর্ক নিয়ে গবেষণারত সংসদীয় কমিটিকে চীনে সরসারি বিনিয়োগ স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে। দেশটি ঘিরে ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

- Advertisement -

২০১৯ ও ২০২১ সালের ফেডারেল নির্বাচনে চীনের হস্তক্ষেপ ও কমিউনিস্ট পার্টির বিরোধীতাকারী কানাডিয়ানদের ওপর চীনের রাষ্ট্রীয় হয়রানীর অভিযোগ ওঠার পরিপ্রেক্ষিতে বিনিয়োগ স্থগিতের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ মাসের গোড়ার দিকে চীনের এক কনস্যুলারকে বহিস্কার করে কানাডা। চীনও এর প্রতিক্রিয়া জানাতে দেরি করেনি এবং একজন কানাঢিযান কূটনীতিককে বহিস্কার করে। চীনের পক্ষ থেকে সে সময় বলা হয়, দুই দেশের সম্পর্ক ক্সতিগ্রস্ত করেছে কানাডা।

কিন্তু কানাডার বৃহত্তম দুই পাবলিক পেনশন বিনিয়োগকারী দ্য কানাডিয়ান পেনশন প্ল্যান ইনভেস্টমেন্ট ও ক্যায়সি ডি ডিপোট এট প্লেসমেন্ট ডু কুইবেক বলেছে, কানাডিয়ানদের মুনাফা দিতে বিশে^র দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে বিনিয়োগ করা প্রয়োজন। তবে চীনে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা।

কানাডা পেনশন প্ল্যান ইনভেস্টমেন্ট বোর্ডের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিশেল লেডুক বলেন, কী ধরনের সম্পদ আমরা অধিগ্রহণ করছি এবং বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকির ব্যাপারে ফান্ড অত্যন্ত সতর্ক রয়েছে। কিন্তু আগামী ১০-১৫ বছরে বিশে^র শীর্ষ অর্থনীতির দেশ হতে যাওয়া দেশটিকে এড়িয়ে যাবে না তারা। পেনশন প্ল্যানের ৫৩ হাজার ৬০০ কোটি ডলারের নিট সম্পদের ১০ শতাংশ বিনিয়োগ রয়েছে চীনে।

উইঘুর রাইটস অ্যাডভোকসি প্রজেক্টের নির্বাহী পরিচালক মেহমেত তোহতি বলেন, কানাডিয়ানদের পেনশন এমন সব কোম্পানিতে বিনিয়োগ করা হয়েছে, যারা জনগণের ওপর চীন সরকারের নিপীড়ন থেকে লাভ পাচ্ছে অথবা এ কাজে চীনকে সাহায্য করছে। এসব কোম্পানির অনেকেই জোরপূর্বক শ্রমিক সরবরাহের কাজে নিয়োজিত।

- Advertisement -

Read More

Recent