শুক্রবার - জুলাই ১৯ - ২০২৪

ঢাকা থেকে টরন্টো

বিমানের সিনিয়র ক্যাপ্টেন শোয়েব চৌধুরী যিনি বিমান বাংলাদেশকে প্রথম কানাডার মাটিতে নামিয়ে ছিলেন

এবার ঢাকা থেকে টরন্টো ফেরার শুরটা ছিলো দরুণ। বিমানের সিনিয়র ক্যাপ্টেন শোয়েব চৌধুরী যিনি বিমান বাংলাদেশকে প্রথম কানাডার মাটিতে নামিয়ে ছিলেন। তাকে ঢকা থেকে ইস্তান্বুল পর্যন্ত পাবো বলে বেশ খুশি ছিলাম।

সুপরিসর কুপে আরামদায়ক আসন চাইলেই ঘুমের বিছানায় পরিনত হয়। সুস্বাদু এত খাওয়া যে খেয়ে ঘুমের ঘোর চলে আসে। কখন যে ৭ঘন্টা পেরিয়ে ইস্তানবুল এয়ারপোর্টে ল্যান্ড করলাম টেরই পাইনি। গ্রাউন্ডে প্লেন থামার পর ক্যাপ্টেন কাছে গেলাম,বিদায় নিতে।

- Advertisement -

শোয়েব তার সকল ক্রু নিয়ে নেমে যাবন এখানে। অন্য কাপ্টেন তার সবাই ক্রু নিয়ে উড়বেন টরন্টোর দিকে। মুস্কিলটা শুরু হলো এরপর থেকে। জ্বর আসা শুরু হলো। এই জীবনে কখনো উড়ন্ত অবস্থায় আমি অসুস্থ হইনি। বিমানবালা প্রধাণ পারভীনকে বল্লাম ৪ঘন্টা পরপর নাপা ট্যাবলেট দিতে। নাপাই চাপা দিলো জ্বর।

ভয় পাচ্ছিল্লাম নিজের পায়ে হেঁটে বাড়ি পৌঁছাতে পারবোতো! টরন্টো পিয়ারসন্স এয়ারপোর্টে ঢাকার মত এতো হুড়াহুড়ি নেই। প্রায় যাত্রায় ঘুরন্ত লাগেজ বেল্ট থেকে অন্যের লাগেজ টেনে ধরে আমি নমিয়েদি! এবার আমার লাগেজ টেনে নামাতে শক্তি পাচ্ছিলাম না। এয়ারপোর্ট ট্যাক্সীতে বাসায় ফিরে এলো জ্বরের জোয়ার।

সাড়ে ৩ দিন প্রায় বেহুশ! সবাই ভয়ে অস্থির ডেঙ্গু নিয়ে ফিরলাম কিনা! প্রায় ৪দিনপর আচমকা জ্বর গায়েব। আবার শক্তি ফিরলো, সুস্থ হয়ে উঠলাম। সমস্যা হলো ঘর ছেড়ে বাইরে যেতে ইচ্ছা করেনা। খাইদাই ওটিটি নেটফ্লিক্সে সিনেমা সিরিয়াল দেখে দিনরাত পার করছি।

ঢাকার মহা ব্যস্ত সময়ের পর টরন্টোর ঝিমিয়ে পড়া সময়ে কি অলস হয়ে পড়ছি! কে জানে! যাক কয়েকটা দিন এভাবে। আবার নিজকে স্বচল করে তুলবো। টরন্টো দীর্ঘদিনের সেল ফোন নম্বর ও পাল্টে গেছে।

- Advertisement -

Read More

Recent