সোমবার - জুন ১৭ - ২০২৪

রিটেইলারদের চুরি রোধের পদক্ষেপ নিয়ে বিভক্ত কানাডিয়ানরা

চুরি ঠেকাতে খুচরা বিক্রয় প্রতিষ্ঠানগুলো সঠিক মাত্রায় নিরাপত্তা পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে মনে করেন অর্ধেকের কম কানাডিয়ান

চুরি ঠেকাতে খুচরা বিক্রয় প্রতিষ্ঠানগুলো সঠিক মাত্রায় নিরাপত্তা পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে মনে করেন অর্ধেকের কম কানাডিয়ান। তবে বেশিরভাগই বলেছে কাজ করতে গিয়ে তারা নিরাপদ বোধ করে থাকেন। লেজার পরিচালিত নতুন এক সমীক্ষায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

খুচরা বিক্রয় কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে পরিচালিত সমীক্ষা অনুযায়ী, চুরি ঠেকাতে খুচরা বিক্রয় কেন্দ্রগুলোর পদক্ষেপের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে সিংহভাগ মানুষ। এসব পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে সিকিউরিটি ক্যামেরা অথবা সামগ্রীর সঙ্গে যুক্ত ইলেক্ট্রনিক অ্যান্টি-থেফট অ্যালার্ম, নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োগ অথবা নির্দিষ্ট কিছু পণ্য ডিসপ্লে কেসে তালাবব্ধ করে রাখা।

- Advertisement -

তবে গ্রাহকরা স্টোর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় কর্মীদের তল্লাশির মতো বিষয়ে বিভক্ত মত দিয়েছেন সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীরা। কোনো কিছু কিনতে গ্রাহকের আইডি স্ক্যান করার প্রয়োজনীয়তার প্রতি সমর্থন নেমে এসেছে ১৭ শতাংশে।

১৮ বছর ও তার বেশি বয়সী দেড় হাজার কানাডিয়ানের ওপর অনলাইনে ৪ থেকে ৬ আগস্ট সমীক্ষাটি পরিচালনা করা হয়। চুরি ঠেকাতে খুচরা বিক্রয় কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা পদক্ষেপের প্রশ্নে ৪৫ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছে, কোম্পানি সঠিক পদক্ষেপই নিয়েছে। যথেষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ২৭ শতাংশ কানাডিয়ান। অন্যদিকে ১০ শতাংশের মত হচ্ছে, চুরি ঠেকাতে স্টোরগুলো বাড়াবাড়ি রকমের পদক্ষেপ নিচ্ছে।

যে যেখানে বসবাস করে দেশের অন্যান্য স্থানের তুলনায় সেখানকার চুরির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ১৪ শতাংশ বলেন, দেশের অন্যান্য অংশের তুলনায় প্রদেশে বেশি চুরি হচ্ছে। এই মনোভাব সবচেয়ে তীব্র ব্রিটিশ কলাম্বিয়াতে। এখানকার এক-চতুর্থাংশ বাসিন্দা বলেছেন, তারা মনে করেন তাদের প্রদেশে অন্যান্য প্রদেশের তুলনায় বেশি চুরির ঘটনা ঘটে।

তবে দুই-তৃতীয়াংশক কানাডিয়ান খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রে কাজ করতে নিরাপদ বোধ করেন বা সেখানে কাজ করবেন। এর উলেআট মতামত দিয়েছেন সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৮ শতাংশ কানাডিয়ান। লিঙ্গভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৭০ শতাংশ পুরুষ খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রে কাজ করার ক্ষেত্রে স্বাচ্ছন্দ বোধ করলেও নারীদের মধ্যে এ হার ৬৩ শতাংশ।

- Advertisement -

Read More

Recent