সোমবার - জুন ১৭ - ২০২৪

অলড্রিন মালাকারের একটি রিভিউ

অলড্রিন ডিরেকশনের জন্য দশে দুই দিয়েছেন পরিচালনা ও সম্পাদনায় ছবির গল্প একবিন্দুও ফুটে ওঠে নেই তাই গল্পটি অনেকেই ধরতে পারেননি মাসুদ রানার ধ্বংস পাহাড় অবলম্বনে তৈরী চিত্রনাট্যকে ধ্বংস করা হয়েছে

সেবা প্রকাশনীর অফিসিয়াল ফেসবুক গ্রুপে অলড্রিন মালাকার একটি রিভিউ দিয়েছেন। রিভিউটি আমার কল্পিত রিভিউয়ের কাছাকাছি। যদিও আমি রিভিউ লিখিনি। লেখার কারণ খুঁজে পাইনি। লিখলে অলড্রিনের সাথে কিছু পার্থক্য তৈরী হতো।
অলড্রিন ছবির গল্পে ‘শুন্য’ দিয়েছেন। হয়তো রাগ করে দিয়েছেন। আমি দশের ভেতর ‘ছয়’ দিতাম। তবে ডিরেকশন ও এডিটিংএ ‘শুন্য’ দিতাম। অলড্রিন ডিরেকশনের জন্য দশে ‘দুই’ দিয়েছেন। পরিচালনা ও সম্পাদনায় ছবির গল্প একবিন্দুও ফুটে ওঠে নেই। তাই গল্পটি অনেকেই ধরতে পারেননি। মাসুদ রানা’র ‘ধ্বংস পাহাড়’ অবলম্বনে তৈরী চিত্রনাট্যকে ধ্বংস করা হয়েছে।

অভিনয়ে প্রতিটি বাংলাদেশী চরিত্রে দুর্বলতা স্পষ্ট। সাচ্চু’র মতো অভিনেতা রাহাত খানের ব্যক্তিত্বের ধারে কাছে যেতে পারেননি। কবীর চৌধুরীর চরিত্রে মিলন ভাইকে ক্লাউন মনে হয়েছে। মোহাবি মরুভূমি (Mojave Desert) সহ যে এলাকায় শুটিং হয়েছে তা তাঁর ক্যালিফোর্নিয়ার বাসস্থান থেকে দূরে নয়। তবে স্ত্রীর অসুস্থতা ও মৃত্যু তাঁকে হয়তো স্বাভাবিক অভিনয় থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিলো।

- Advertisement -

মূল চরিত্র মাসুদ রানা হিসাবে বাংলাদেশে কাউকেই দেখিনা। সুতরাং এবিএম সুমনের সমালোচনা করে লাভ নেই। বেচারা যে প্রক্সি দিতে সাহস করেছে তাইই যথেষ্ট।

বিদেশী চরিত্রগুলোর ভেতর ফ্রাংক গ্রিলো (রোমান রস) মোটামুটি উৎরে গেছে। নিকো ফস্টারকে সিআইএ অফিসিয়াল (পল টেলর) হিসাবে খারাপ লাগেনি।

আরেকটি বিষয়ে ছবিটিকে ‘শুন্য’ দিবো। আবহ সঙ্গীত। স্পাই থ্রিলারের আবহ সঙ্গীত শিখতে নির্মাতাদের আরো অনেক মুভি দেখতে হবে।।

শুক্রবার শেষ বিকেলে মিসিসাগা’র কোর্টনি পার্কের সিনেপ্লেক্সে গিয়েছিলাম MR-9 Do or Die দেখতে। যাবার কালে খুউব বেশি আশা নিয়ে যাইনি। কিন্তু স্বল্প আশার টিমটিমে বাতিটাও নিভে গেলো।

এতো কিছুর পরেও সবাইকে হলে গিয়ে ছবিটি দেখার আমন্ত্রণ জানাই। সমালোচনা আমার কিংবা অন্যের লেখা পড়ে নয়, নিজে দেখেই করুন।

- Advertisement -

Read More

Recent