শনিবার - মার্চ ২ - ২০২৪

প্রাদেশিক আবাসন তহবিল নিয়ে মেয়রদের অসন্তোষ

অন্টারিও বিগ সিটি মেয়রস গ্রুপ মিউনিসিপালিটি অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড হাউজিং মন্ত্রী পল ক্যালান্দ্রাকে একটি চিঠি লিখেছে তাতে গত সংখ্যক বাড়ির নির্মাণ শুরু হয়েছে তার পরিবর্তে কত সংখ্যক বাড়ির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে তার ভিত্তিতে তহবিল বরাদ্দের আহ্বান জানানো হয়েছে

আবাসন-সংক্রান্ত অবকাঠামো বাবদ প্রাদেশিক তহবিল থেকে বড় অংকের অর্থ তাদের হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে বলে অন্টারিওর বড় শহরগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। সরকারের তরফ থেকে ক্রাইটেরিয়ায় সামান্য কিছু পরিবর্তন না আনলে এটা তাদের হাতের বাইরে থেকে যাবে বলেও উল্লেখ করেছে তারা।

বিল্ডিং ফাস্টার তহবিলের আওতায় আগামী তিন বছরে মিউনিসিপালিটিগুলোকে ১২০ কোটি ডলার প্রদান করা হবে বলে গত আগস্টে ঘোষণা দেয় প্রদেশ। এর মাধ্যমে প্রদেশের পক্ষ থেকে তাদেরকে বেঁধে দেওয়া আবাসনের লক্ষমাত্রার ৮০ শতাংশ অর্জন করা সম্ভব হবে।

- Advertisement -

কিন্তু অন্টারিও বিগ সিটি মেয়রস গ্রুপ মিউনিসিপালিটি অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড হাউজিং মন্ত্রী পল ক্যালান্দ্রাকে একটি চিঠি লিখেছে। তাতে গত সংখ্যক বাড়ির নির্মাণ শুরু হয়েছে তার পরিবর্তে কত সংখ্যক বাড়ির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে তার ভিত্তিতে তহবিল বরাদ্দের আহ্বান জানানো হয়েছে।

অন্টারিও বিগ সিটি মেয়রস গ্রুপের চেয়ারের দায়িত্ব পালন করছেন বার্লিংটনের মেয়র মারিয়ানি মিড ওয়ার্ড। তিনি বলেন, মিউনিসিপালিটিগুলো বিপুল সংখ্যক বাড়ির অনুমোদন দিয়েছে। কিন্তু ডেভেলপাররা এখনো সেগুলোর নির্মাণ শুরু করেনি। এর কারণ, উচ্চ সুদের হার, সরবরাহ ব্যবস্থায় সমস্যা অথবা শ্রমিক সংকট। কিছু মিউনিসিপালিটিকে এমন কিছুর জন্য শাস্তি দেওয়া হতে পারে যেগুলো সত্যিই তাদের হাতে নেই।

তিনি বলেন, আমরা সত্যিকার অর্থে যা করেছি তার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করলে আমরা খুশি। আমাদেরকে মূল্যায়ন করুন কত সংখ্যক বাড়ি নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে তার ভিত্তিতে। তারপর খুঁজে দেখেন ডেভেলপাররা কেন এই অনুমোদন এগিয়ে নিচ্ছে না সেটি। কারণ, সমস্যাটি সমাধানে প্রদেশের এমনকি ফেডারেল সরকারেরও ভূমিকা রয়েছে।

ক্যালান্দ্রার কার্যালয় চিঠিতে উল্লেখিত অনুরোধ পর্যালোচনা করে দেখবে বলে জানিয়েছে। মিউনিসিপালিটিগুলোর উদ্দেশে লেখা এক চিঠিতে ক্যালান্দ্রা উল্লেখ করেছেন, প্রদেশের লক্ষ্য হচ্ছে ২০২৩ সালের মধ্যে ১ লাখ ১০ হাজার নতুন বাড়ি নির্মাণ শুরু করা। পরের বছর সংখ্যাটি দাঁড়াবে ১ লাখ ২৫ হাজার, ২০২৫ সালে ১ লাখ ৫০ হাজার এবং পরের বছরগুলোতে বার্ষিক ১ লাখ ৭৫ হাজার।

This article was written by Rezaul Haque as part of the LJI

- Advertisement -

Read More

Recent