বৃহস্পতিবার - এপ্রিল ১৮ - ২০২৪

ইংরেজী নববর্ষ, নাকি আন্তর্জাতিক নববর্ষ?

বিশ্বের প্রায় সব দেশ বছরের নতুন ইনিংস শুরু করে পহেলা জানুয়ারী কেবলমাত্র আফগানিস্তান ইথিওপিয়া ইরান এবং নেপাল নিজ দেশের বর্ষপঞ্জী অনুসরণ করে

বিশ্বের প্রায় সব দেশ বছরের নতুন ইনিংস শুরু করে পহেলা জানুয়ারী। কেবলমাত্র আফগানিস্তান, ইথিওপিয়া, ইরান এবং নেপাল নিজ দেশের বর্ষপঞ্জী অনুসরণ করে। নতুন বছরকে স্বাগত জানানো এবং পরস্পরের প্রতি শুভেচ্ছা জ্ঞাপন একটি আন্তর্জাতিক রেওয়াজ। এ রেওয়াজ চর্চা করতে গিয়ে আমরা বাংলাদেশীরা প্রায়ই বলে থাকি, “শুভ ইংরেজী নববর্ষ” অথবা “ইংরেজী নববর্ষের শুভেচ্ছা” ইত্যাদি।

বাঙালী জীবনে বাংলা নববর্ষের বাইরে আন্তর্জাতিক কায়দায় আরেকটি নববর্ষ পালিত হয়। হয়তো দুই নববর্ষকে আলাদা করে চিহ্নিত করতে আমরা বাংলা নববর্ষ এবং ইংরেজী নববর্ষ বলে থাকি। বাংলা নববর্ষ বাঙালীর গৌরব। এর সাথে আমাদের ইতিহাস ও সংস্কৃতি জড়িয়ে আছে। অন্যদিকে ইংরেজী নববর্ষ কি ইংরেজদের গৌরব? কিংবা সম্পদ? না.. মোটেও তা নয়। একটু ইতিহাস ঘুরে আসা যাক।

- Advertisement -

বর্ষপঞ্জী বা ক্যালেন্ডারের ইতিহাস অনেক দীর্ঘ। সুমেরিয়ান, ব্যাবিলন, পারস্য, গ্রীক, প্রাচীন ভারত এবং চীন সভ্যতায় খ্রীস্টের জন্মের অনেক অনেক বছর আগে ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে দেখা যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাঁরা মাসের দৈর্ঘ্য নির্ধারন করতো এক চন্দ্র দর্শন থেকে পরের চন্দ্র দর্শন পর্যন্ত। পরবর্তীতে চন্দ্র ও সৌর ভিত্তিক মিশ্র ক্যালেন্ডার ব্যবহার শুরু হয়। চাঁদ ১২ চক্রে ৩৫৪ দিনে পৃথিবীকে প্রদক্ষিন করে। আর পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে ৩৬৫ দিনে। কিন্তু পৃথিবীর তাপমাত্রা, জলবায়ু, আবহাওয়া ইত্যাদি নির্ভর করে সূর্যের প্রভাবের উপর।

পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানের ঋতু পরিবর্তিত হয় সূর্যের সমকালীন অবস্থানের কারণে। প্রাচীন সভ্যতায় ঋতুর নির্দিষ্ট মাস বজায় রাখতে কয়েক বছর পরপর মাসের সংখ্যা বাড়িয়ে ১৩ মাস করা হতো। উদাহরণ, ৩৬৫ – ৩৫৪ = ১১ দিন। তিন বছরে চন্দ্রবর্ষের তুলনায় সৌরবর্ষ পিছিয়ে পড়ে ১১ x ৩ = ৩৩ দিন। তখন চন্দ্রবর্ষের সাথে ৩৩ দিন দৈর্ঘের ত্রয়োদশ মাস যুক্ত করে দিলেই সৌরবর্ষের সমান হয়ে যেতো। ফলে কোন একটি মাসে প্রকৃতির যে ঋতুরূপ থাকার কথা, তা বজায় থাকতো। (বিষয়টি হুবহু এমন সহজ ছিলোনা। উদাহরণ অর্থে দেয়া হলো)
ইথিওপিয়ার ক্যালেন্ডারে আজও ১৩ মাস গণনা করা হয়। এটি তাঁদের সরকারী ক্যালেন্ডার। প্রথম ১২ মাসে ৩০ দিন করে রয়েছে। ১৩শ (ত্রয়োদশ) মাস মাত্র ৫ দিনের। লিপ ইয়ারে ৬ দিন। অনুমান করা হয় ইউরোপের প্রথম ক্যালেন্ডার ব্যবহার করে স্কটিশরা। এটিও চন্দ্রভিত্তিক এবং খ্রীস্টপূর্ব আনুমানিক ১০ হাজার বছর পূর্বে ব্যবহার শুরু হয়।

খ্ৰীস্টের জন্মের ৪৬ বছর আগে রোমান ইতিহাসের শক্তিধর সেনাপতি জুলিয়াস সিজার পৃথিবীর আহ্নিক গতি এবং বার্ষিক গতি হিসাব করে একটি বিজ্ঞান ভিত্তিক ক্যালেন্ডার তৈরী করেন। জুলিয়াস সিজার রোমান সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা অগাস্টাস সিজারের পালক পিতা। এই ক্যালেন্ডার গোটা ইউরোপে জনপ্রিয়তা পায়। এর নাম দেয়া হয় জুলিয়ান ক্যালেন্ডার। ১৫৮২ পর্যন্ত জুলিয়ান ক্যালেণ্ডারে পরিচালিত হয়েছে ইউরোপের সকল রাজ কার্য।

জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের সংশোধিত সংস্করণ গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে একদিনে একই মাস, একই তারিখ, একই সাল এবং যে একই নববর্ষ উদযাপিত হয় সেটি গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার। রোমান পোপ ত্রয়োদশ গ্রেগরি (Pope Gregory XIII) এই ক্যালেন্ডার তৈরী করেন ১৫৮২ সালে। ইংরেজ কিংবা ইংরেজীর সাথে এর কোনো সম্পর্কই নেই। গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার কোনোভাবেই ইংরেজদের ক্যালেন্ডার নয়। গ্রেগরিয়ান নববর্ষকে যদি কোনো দেশের নাম নাম ধরে ডাকতেই হয় তাহলে একে রোমান অথবা ইতালিয়ান নববর্ষ বলে ডাকা উচিত। কারণ এর আবিষ্কারক এবং প্রচলক পোপ ত্রয়োদশ গ্রেগরী বর্তমান কালের ইতালির অধিবাসী!

জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের ১৫৮২ সাল, ক্যালেন্ডার বিষয়ক ইতিহাসের বিশেষ বছর। এবছর গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার আবিষ্কৃত হয় এবং ইতালি, ফ্রান্স, পোল্যান্ড, পর্তুগাল এবং স্পেন প্রথম গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার চালু করে। একযোগে জানুয়ারীকে প্রথম মাস হিসাবে পালন শুরু করে। এর আগে বিভিন্ন জাতি জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের বিভিন্ন মাসে বিভিন্ন তারিখে নববর্ষ উদযাপন করতো। কেউ ১৪ জানুয়ারি, কেউ ২৫ মার্চ ইত্যাদি। এগুলোর সাথে খ্রীস্ট ধর্মীয় আচার এবং উৎসব জড়িত ছিলো। দ্বাদশ শতকে ইংল্যান্ড নববর্ষ শুরু করে ২৫ মার্চ। সেকারণে ইংল্যান্ডে ক্যালেন্ডারের পাতায় সাল বদলানো হতো ২৪শে মার্চ রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে।।

গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার কার্যকর করার ক্ষেত্রে ইউরোপীয় দেশগুলির ভেতর অন্যতম পিছিয়ে পড়া দেশ ইংল্যান্ড। পিছিয়ে পড়ার পেছনে রয়েছে লম্বা ইতিহাস। কিন্তু মজার তথ্য হলো গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের ব্যবহার নিয়ে ইংরেজদের ভেতর তখন দাঙ্গা বেঁধে গিয়েছিলো। ১৭৫২ সালের সে দাঙ্গায় নিউ ক্যালেন্ডার বিরোধীদের শ্লোগান ছিলো ‘Give us our eleven days!’ ফিরিয়ে দাও আমাদের এগারো দিন! ইংরেজরা তখনো রোমানদের তৈরী জুলিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যবহার করছিলো। ক্যালেন্ডার পরিবর্তন করে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে রূপান্তরের সময় ইংরেজরা হারিয়ে ফেলে ১১টি মূল্যবান দিন।

হারিয়ে যাওয়া এগারো দিন নিয়ে ইংরেজদের দাঙ্গার গল্পটা বেশ মজার। ১৭৫০ সালে ব্রিটিশরাজ তাঁদের গোটা সাম্রাজ্যে জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের বদলে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার চালুর জন্য “দ্য ক্যালেন্ডার (নিউ স্টাইল) এ্যাক্ট ১৭৫০” পাশ করে। নতুন আইন অনুযায়ী সরকারী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দিন ঠিক করা হয় ১ জানুয়ারি, ১৭৫২। সেদিন থেকে ফ্রান্স, ইতালি, স্পেনের সঙ্গে ইংল্যান্ডেও শুরু করা হয় নতুন সাল (১৭৫২)। কিন্তু বাধ সাধলো অন্য জায়গায়। ইংল্যান্ডে ১৭৫০ সাল শেষ হয়েছিল ২৪ মার্চ ১৭৫০। নতুন সাল ১৭৫১ শুরু হয়েছিলো পরের দিন ২৫ মার্চ। কিন্তু পরিবর্তিত আইনে ১৭৫১ সাল শেষ হয়েছিলো ৩১ ডিসেম্বর ১৭৫১। অর্থাৎ ২৪ মার্চ ১৭৫২ পর্যন্ত সেটি প্রলম্বিত হয়নি বা নতুন আইনে হতে পারেনি। বৃটিশ ইতিহাসে তাই ১৭৫১ সাল হচ্ছে সবচে সংক্ষিপ্ত বছর। এর স্থায়ীত্ব ছিলো মাত্র ২৮২ দিন। আগ্রহীরা নীচের ছোট্ট পাটিগনিত পরে একসময় দেখে নিতে পারেন।

[১৭৫২ ছিলো লিপ ইয়ার। ইংরেজদের ব্যবহৃত জুলিয়ান ক্যালেন্ডারে লিপ ইয়ার ছিলোনা।

তাই ইংরেজদের ১৭৫১ সালের হারিয়ে যাওয়া বাকী দিনগুলো, ৩১ (জানুয়ারী) + ২৮ (ফেব্রুয়ারী) + ২৪ (মার্চ আংশিক) = ৮৩ দিন।

সুতরাং, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে ১৭৫১ সালের দৈর্ঘ্য, ৩৬৫ — ৮৩ = ২৮২ দিন।]

ঘটনা এখানেই শেষ নয়। জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের সাথে তখন গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের পার্থক্য চলছিলো ১১ দিন। কারণ জুলিয়াস সিজার প্রচলিত ক্যালেন্ডারে বড় একটি ভুল ছিলো বার্ষিক গতি নিয়ে। সৌর নিয়মে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন ছয় ঘন্টা। সূক্ষ্ণ গাণিতিক হিসাবে ৩৬৫.২৪২৫ দিনে এক বছর। জুলিয়ান ক্যালেন্ডারে শেষ ছয় ঘন্টার হিসাব ধরা হয়নি। পোপ ত্রয়োদশ গ্রেগরি তাঁর ক্যালেন্ডারে এই ছয় ঘন্টা বিবেচনায় আনেন। চার বছর পরপর ফেব্রুয়ারি মাসে ১ দিন বাড়িয়ে ৩৬৬ দিনের লিপ ইয়ার চালু করেন। এতে ১৭৫২ সালে দুই ক্যালেন্ডারের পার্থক্য দাঁড়ায় ১১ দিনে। তাই প্রথম বছর অর্থাৎ ১৭৫২ সালেই বৃটিশ সরকার সিদ্ধান্ত নেয় বুধবার ২ সেপ্টেম্বর এর পরবর্তী দিন বৃহস্পতিবার ৩ সেপ্টেম্বর করা হবেনা। এটি সরাসরি হবে ১৪ সেপ্টেম্বর হবে। কারণ ইতালি ফ্রান্সসহ অন্যান্য দেশে যেখানে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার চালু ছিলো, সেখানে তখন অলরেডি ১৪ সেপ্টেম্বর ১৭৫২।

রাস্তায় নেমে এলো বিরোধীরা। ৩ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর নতুন ক্যালেন্ডারে অনুপস্থিত। ইংরেজদের জীবন থেকে চিরতরে হারিয়ে গেলো দিনগুলো। মেনে নিতে পারছিলোনা সাধারণ জনগণ। আবার ধর্মের রং লেগে গেলো এতে। বলা হলো গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ক্যাথলিকদের প্লট। ইস্টারের তারিখ পরিবর্তনের জন্য এটি করা হয়েছে। প্রোটেস্ট্যান্ট ইংরেজরা তা মানেনা। ইস্টারের নির্ধারিত দিন ছিল ২৫ মার্চ। কিন্তু গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে সেটি হয়ে গেলো ৭ এপ্রিল।

একই অবস্থা হয়েছিলো রাশানদের। রাশিয়ায় অক্টোবর বিপ্লবের সময় জুলিয়ান ক্যালেন্ডার চালু ছিলো। ১৯১৮ সালের জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের জানুয়ারী মাসে রাশিয়া গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার চালুর সিদ্ধান্ত নেয়। বুধবার “৩১ জানুয়ারী ১৯১৮” এর পরদিন সরাসরি বৃহস্পতিবার “১৪ ফেব্রুয়ারি ১৯১৮” ধরা হয়। সুতরাং ক্যালেন্ডারে ফেব্রুয়ারি মাস শুরু হয় সরাসরি ১৪ তারিখ থেকে। ফেব্রুয়ারী ১ তারিখ থেকে ১৩ তারিখ পর্যন্ত উধাও! ইউরোপের একক বৃহত্তম রুশ জাতি জীবন থেকে হারিয়ে ফেলে ১৩টি দিন! শুধু তাইই নয়, ঐতিহাসিক “অক্টোবর বিপ্লব” দিবসের ২৫ অক্টোবর হয়ে যায় বর্তমান ক্যালেন্ডারে ৭ নভেম্বর!!

উত্তরাধিকারসূত্রে বাংলাদেশ জন্মলগ্ন থেকে অফিসিয়ালি গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যবহার করে আসছে। তবে দেশের নিজস্ব শক্তিশালী বর্ষপঞ্জী রয়েছে। ভারতবর্ষের অন্যান্য জাতি, গোষ্ঠি বা গোত্রের পাশাপাশি বাঙালীর বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ, অগ্রহায়ণ, পৌষ বেশ অগ্রগামী। আর অগ্রগামী পহেলা বৈশাখে উৎসবমুখর বর্ষবরণ। বাঙালীর তুলনায় ইংরেজদের বর্ষবরণ সংস্কৃতি বেশ দুর্বল। ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায় ইংরেজদের নিজস্ব কোনো ক্যালেন্ডার কোনোকালেই ছিলোনা। স্কটিশদের আদিম বর্ষপঞ্জি ইংরেজরা কখনো ব্যবহার করেছে বলে জানা যায় না। তবে রোমানদের তৈরী পঞ্জিকাসূচি তাঁরা ব্যবহার করেছে। সুতরাং বাঙালির একটা নিজস্ব নববর্ষ থাকলেও ইংরেজদের সেটি নেই। এখন বিশ্বের অন্য দেশের মতো তাঁরাও গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যবহার করে।

নিঃসন্দেহে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার তাঁর খ্রীস্ট সীমানা পার হয়ে মধ্যপ্রাচ্য সহ তাবৎ বিশ্বে গ্রহণ যোগ্যতা পেয়েছে এর নিখুঁত গাণিতিক বিশ্লেষণের কারণে। সৌদি আরব ২০১৬ সাল থেকে সরকারী অর্থবছর, বেতন, ভাতাদি, পেনশন ইত্যাদির হিসাব গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে যুক্ত করেছে। বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো অনেক আগে থেকেই এটি অনুসরন করছে।

ভারতবর্ষে এ ক্যালেন্ডার ইংরেজরা আমদানি করেছিলো। হয়তো একারণেই ভারতীয় সংস্কৃতিতে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার মানে ইংরেজি ক্যালেন্ডার। কিন্তু এই তথ্য অন্য জাতির মানুষকে হতাশ করে। মানসিকভাবে আহত করে। ইতালিয়ান, ফরাসী, পর্তুগীজ এবং স্পেনীয়রা গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারকে ভীষণভাবে নিজেদের ক্যালেন্ডার মনে করে। পহেলা জানুয়ারীর বর্ষবরণকে একান্ত নিজেদের সংস্কৃতি মনে করে। ইংরেজি নববর্ষ হিসাবে এটাকে কখনো কল্পনা করতে পারেনা।

সবচে’ বড় কথা ইংরেজরা নিজেরা কখনো এটিকে ইংরেজি নববর্ষ বলে দাবী করেনা।

আহ্নিক গতি ও বার্ষিক গতিকে মাপকাঠি ধরে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার এখন পর্যন্ত শ্রেষ্ঠ ক্যালেন্ডার। এটি বৈশ্বিক সার্বজনীন ক্যালেন্ডার। কোনো জাতির একক সম্পদ নয়। তাই গ্রেগরিয়ান নববর্ষকে আন্তর্জাতিক নববর্ষ বলা অনেক বেশি সঙ্গত।

- Advertisement -

Read More

Recent