
প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে হাইড্রোজেনচালিত হেলিকপ্টার উড্ডয় উদযাপনের কথা জানিয়েছে ভ্যানকুভারভিত্তিক একটি এভিয়েশন কনসোর্টিয়াম। টেকসই আকাশ চলাচলের ক্ষেত্রে একে মাইলস্টোন বলে উল্লেখ করেছে কনসোর্টিয়াম।
কানাডিয়ান অ্যাডভান্সড এয়ার মোবিলিটি বলেছে, তাদের জাতীয় পর্ষদ সদস্য ইউনিদার বায়োইলেক্ট্রনিক গত মাসে কুইবেকের ব্রোমোন্টে তাদের পরীক্ষামূলক ফ্লাইট সম্পন্ন করেছে।
ফেডারেল অলাভজনক প্রতিষ্ঠানটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, পরীক্ষামূলক ফ্লাইটটি উড্ডয়ন করেন পাইলট রিক ওয়েব। ট্রান্সপোর্ট কানাডার কাছ থেকে পরীক্ষামূলক ফ্লাইটের অনুমতি নিয়ে ফ্লাইটটি পরিচালনা করা হয়। হেলিকপ্টারের জ¦ালানির ৯০ শতাংশ আসে হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল থেকে।
কনসোর্টিয়ামের সরবরাহ করা ভিডিও ফুটেজে টারম্যাকের ওপরে মোট ৩ মিনিট ১৬ সেকেন্ড চক্কর দিতে দেখা যায় হেলকিপ্টারটিকে। যখন এটি মাটি স্পর্শ করে ক্যামেরা উৎফুল্ল ক্রুদের দিকে তাক করা হয়। তাদের মধ্যে কেউ কেউ উত্তেজনায় লাফ দেন এবং একে অপরকে আলিঙ্গণ করেন।
এই ফ্লাইটের সাফল্য এটাই দেখিয়ে দিয়েছে যে, জিরো এমিশন এয়ার মোবিলিটির বৈশ্বিক ভবিষ্যতের যে আকার কানাডা তাতে সহায়তা করছে। অন্যত্রও একই ধরনের পরীক্ষা করা হয়েছে। কিন্তু কুইবেকের ফ্লাইটট্ইি প্রথম যেখানে পাইলট অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ফ্লাইটে মানুষ রাখার গুরুত্ব এখানে যে, সুরক্ষার যে দায়িত্ব তা তারা উৎরে গেছে। সেই সঙ্গে সব কারিগরি প্রকৌশল দিক সফল পরীক্ষামূলক ফ্লাইট সম্ভব করেছে। এর মাধ্যমে তারা প্রকৃত পরিচালনার দিকে একধাপ এগিয়ে গেল।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিক এই মাইলস্টোন স্পর্শ করতে প্রায় তিন বছর লেগেছে এবং কনসোর্টিয়ামের দৃষ্টি এখন লম্বা দূরত্বের ফ্লাইটের দিকে।
