
আমেরিকার হুমকি মোকাবিলায় কানাডার সঙ্গে অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছে বেইজিং। কানাডায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত বলেছেন, ওয়াশিংটনের বৈশি^ক নিয়ম ক্ষতিগ্রস্ত করার বিরুদ্ধে অন্য দেশগুলোকে এক জায়গায় করতে পারবে দুই দেশ।
দি কানাডিয়ান প্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে চীনের রাষ্ট্রদূত ওয়াং ডি বলেন, মানুষকে আবারও জংলী আইনে ফিরিয়ে নেওয়ার মতো পরিস্থিতি আমরা এড়াতে চাই। চীন কানাডার জন্য সুযোগ, হুমকি নয়।
ওয়াং বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রম্প আরোপিত যুক্তরাষ্ট্রের অন্যায় শুল্কের বিরুদ্ধে একমাত্র চীন এবং কানাডায় সুনির্দিষ্ট বাস্তব পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে। আমরা লক্ষ্য করেছি যে, যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা ভীতি প্রদর্শনে কানাডা দমে যায়নি। বরং, কানাডা ইতিহাসের সঠিক দিকে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচারের সঠিক পাশে অবস্থান করছে।
তিনি বলেন, অন্য দেশগুলো যাতে ট্রাম্প প্রশাসনকে তুষ্ট না করে সে ব্যাপারে তাদেরকে বোঝাতে বেইজিং ও অটোয়ার একসঙ্গে কাজা করা উচিত। পাশাপাশি বৈশি^ক বাণিজ্য নিয়ম ভঙ্গের জন্য ওয়াশিংটনকে যাতে মূল্য চুকাতে হয় সেটা নিশ্চিত করতেও বেইজিং ও অটোয়ার একসঙ্গে কাজ করা উচিত।
ইউনিভার্সিটি অব অটোয়ার গ্র্যাজুয়েট স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের প্রধান রোলান্ড প্যারিস। তিনি বলেন, বেইজিং তাদের নিজেদের স্বার্থে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুনঃরূপ দিতে চাইছে। এটা কানাডার পররাষ্ট্র নীতির সঙ্গে যায় না। কানাডিয়ান ব্যবসায়ীদের চীনের মনোভাব সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। কারণ, এখনো তারা চীনে আমদানি বন্ধ এবং স্বেচ্ছাচারীভাবে আটকের হুমকিতে রয়েছে।
প্যারিস বলেন, এখন আমরা ট্রাম্প প্রশাসনের কাছ থেকে যে শুল্ক ও অশুল্ক বাধা দেখছি বিভিন্নভাবে চীন বহু আগে থেকেই তা করে আসছে। চীন তার নিজের স্বার্থে অতীতে বাণিজ্য নিয়ম অমান্য করেছে। এটা তারা করেছে দেশগুলো দেশগুলোকে বাধ্য করার জন্য। এসব দেশের মধ্যে কানাডাও রয়েছে।
