
কানাডার আপাত মন্দা সংক্রান্ত প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার বেশ কয়েকদিন পর মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি স্বীকার করলেন যে, দেশের অর্থনীতি কিছুটা অস্থিতিশীলতার মধ্যে রয়েছে। এক্ষেত্রে যে শব্দটি তিনি ব্যবহার করেছেন তা হলো অমসৃণ।
তবে কার্নির একটি ব্যাখ্যা রয়েছে। এই মন্দা গত ১১ বছর লিবারেল নীতি বাস্তবায়নে ব্যর্থতার চ‚ড়ান্ত ফল নয়। না, না, না। তার সরকার নাগালের বাইরে চলে যাওয়া অভিবাসনের ওপর তার সরকারের সর্বোচ্চ সীমা আরোপের ফলাফল এটা। এই সংখ্যা গত চার বছরে মোট জনসংখ্যার ৯ শতাংশের সমতুল্য।
বিষয়টির ব্যাখ্যা করে কার্নি বলেন, আমরা কিছু দুর্বলতা দেখতে পাচ্ছি। এর অংশত কারণ, অভিবাসন লক্ষ্যমাত্রা কমানোর ব্যাপারে সরকারের স্পষ্ট সিদ্ধান্ত।
বিপুল সংখ্যক নবাগত না আসলে তিন বা চার বছর আগে কানাডিয়ানদের বেদনাদায়ক অর্থনৈতিক পারফরম্যান্স দেখতে হতো। বার্ষিক সর্বোচ্চ ২০ লাখ স্থায়ী বাসিন্দা, বিদেশি শিক্ষার্থী, অস্থায়ী বিদেশি কর্মী এবং শরনার্থী অর্থনৈতিক গতির চালক নন। এটা অর্থনীতির সংকোচনকে ঢেকে দিয়েছিল।
তবে হ্যা, অভিবাসনের ঢেউ আমাদের স্কুল ও জরুরি কক্ষগুলোকে জনবহুল এবং আবাসনের মূল্যকে আকাশচুম্বি করে তুলেছিল। এটা সেই উপাত্ত গোপন রেখেছিল, যাতে দেখঅ যায় অন্ততপক্ষে ২০২২ সাল থেকে কানাডা জনপ্রতি মন্দার মধ্যে আছে।
গত চার বছর ধরে প্রতি বছরই কানাডিয়ানপ্রতি মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) কমেছে। জনপ্রতি জিডিপিকে কোনো দেশের জীবনযাপনের মান কেমন তা পরিমাপের বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি। এর অর্থ হলো, মহামারির পর থেকে গড়পড়তা কানাডিয়ানের ব্যক্তিগত আয় মূল্যস্ফীতির পেছনে চলে গেছে।
রেজাউল হক : লোকাল জার্নালিজম ইনিশিয়েটিভ রিপোর্টার
