
কোভিড-১৯ মহামারির সময় শিশুদের শিক্ষায় সহায়তার জন্য অভিভাবকদেরকে প্রিমিয়রা ডগ ফোর্ড সরকারের সরাসরি অর্থ প্রদানের সিদ্ধান্ত তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অন্টারিওর ন্যায়পাল। কার্যালয় থেকে ১১ ডিসেম্বর ইস্যু করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অভিভাবকদের অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কেউ কেউ আগে অর্থ দাবি করার কারণে যারা অর্থপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন তারা এই অভিযোগ করেছেন।
ন্যায়পালের তথ্য অনুযায়ী, কিছু বাবা-মা জানতে পেরেছেন যে, শিশুর যতœ না নিয়েও স্বজন অর্থ দাবি করেছেন। এই অর্থ ফেরত পাওয়ারও কোনো সুযোগ নেই।
ন্যায়পাল পল দুবে এক বিবৃতিতে বলেছেন, আমরা অভিভাবকদের কাছ থেকে কিছু অ্যাকাউন্টের ব্যাপারে জেনেছি যেখানে শিশুদের সেবায় তহবিল স্থানান্তর করা হয়নি। কারা এই তহবিল পেয়েছেন সেটাও তাদেরকে জানানো হয়নি। লোকজন এসব নিয়ে আমাদের কাছে অভিযোগ করেছেন। আমরা তদন্তে এই সমস্যার মূল উদ্ঘাটন করব। পাশাপাশি কর্মসূচিটি কীভাবে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছতার সঙ্গে এগিয়ে নেওয়া যায় সেই সুপারিশ করব।
মহামারির কারণে ২০২০ সালে স্কুলগুলোতে স্বশরীরে পাঠদান বন্ধ হয়ে গেলে অন্টারিওর বাবা-মায়েরা চারভাবে সরাসরি অর্থ পেয়েছেন। সেই সময় এর উদ্দেশ্য ছিল বাড়িতে শিক্ষালাভকে সহায়তা করা। তারপর থেকে সরকার বাড়িতে বসে পাঠ গ্রহণ ও শিক্ষার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে টিউটরিংয়ে সহায়তার জন্য তহবিল দিয়ে আসছে। সর্ব সাম্প্রতিক যে তহবিল তাতে দুই বছরে ২২ কোটি ৫০ লাখ ডলার ব্যয় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শিশুর স্কুলের নাম, জন্ম তারিখ এবং তাদের অর্থপ্রাপ্তির কাক্সিক্ষত পদ্ধতি উল্লেখ করে এই তহবিলের জন্য বাবা-মাকে অনলাইনে আবেদন করতে বলা হয়। সরকারের ওয়েবসাইটে কেবলমাত্র একজন বাবা/মা বা অভিভাবক প্রতি একজন শিক্ষার্থীর জন্য আবেদন করতে পারবেন বলে সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, কে আবেদন করবেন এটা শিশুর বাবা-মা বা অভিভাবকের বিষয়। আমরা এ সিদ্ধান্ত দিচ্ছি না এবং একাধিক নাম গ্রহণযোগ্য হবে না।
শিক্ষামন্ত্রীর একজন মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেছেন, ২২ লাখের মতো শিক্ষার্থী এ থেকে সহায়তা পাবে।
This article was written by Rezaul Haque as part of the LJI
