
জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর কানাডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা পণ্যে শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২০ সালের মে মাসের পর কানাডিয়ান ডলারের দাম সবচেয়ে বেশি কমেছে।
শুল্কারোপের এই হুমকি মার্কিন ডলারের বিপরীতে লুনির আরও দরপতন ঘটিয়েছে। সেপ্টেম্বর থেকেই মার্কিন ডলারের বিপরীতে সর্বনি¤œ অবস্থানে রয়েছে কানাডিয়ান মুদ্রা।
২৬ নভেম্বর বিকালের লেনদেনে প্রতি লুনির বিপরীতে মার্কিন ডলার লেনদেন হয় ৭১ দশমিক শূন্য ১ সেন্টে। তবে দিনের শুরুতে লেনদেন হয় ৭১ সেন্টে।
বিএমও ক্যাপিটালের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ রবার্ট কাভসিস বলেন, অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক নানা কারণে আগে থেকেই চাপে থাকা কানাডিয়ান মুদ্রা আরও বেশি দুর্বল হয়েছে। কানাডিয়ান অর্থনীতি শ্লথ হওয়ায় এবং ব্যাংক অব কানাডার সুদের হার কর্তনের কারণে আগে থেকেই চাপে ছিল লুনি।
চলতি বছরের এখন পর্যন্ত সুদের হার চার দফা কমিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সর্বশেষ গত অক্টোবরে ৫০ শতাংশীয় পয়্ন্টে কমানো হয় নীতিনির্ধারণী সুদের হার। এর ফলে বর্তমানে নীতিনির্ধারণী সুদের হার দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। ব্যাংক অব কানাডার মনোযোগ এখন মূল্যস্ফীতি হ্রাস থেকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দিকে ঘুরে গেছে।
ট্রাম্প সোমবার ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে লেখেন, কানাডা ও মেক্সিকো থেকে আমদানি করা সব পণ্যের ওপর তিনি ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন। উভয় দেশ যুক্তরাষ্ট্রে মাদক বিশেষ করে ফেনটালিন পাচার বন্ধ না করা পর্যন্ত এই শুল্ক বলবৎ থাকবে।
