
ওমিক্রন ঢেউয়ের মধ্যে শিক্ষার্থীরা সশরীরে পাঠ গ্রহণ শুরু করলে খেলাধুলা, দল বেঁধে সংগীত পরিবেশনা ও অন্যান্য পাঠ্যক্রম বহির্ভুত কর্মকান্ড শুরু করতে পারবে। গত বৃহস্পতিবার প্রদেশের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
টেনিসের মতো অপেক্ষাকৃত কম কাছাকাছি আসতে হয় এমন খেলা শারীরিক দূরত্ব মেনে চালু আছে। কিন্তু বাস্কেটবল ও ভলিবলের মতো যেসব খেলায় খুব বেশি কাছাকাছি আসার প্রয়োজন হয় সেগুলো কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির কারণে জানুয়ারিতে স্থগিত করে দেওয়া হয়।
প্রদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, স্কুল প্রাঙ্গণে পাঠ্যক্রম বহির্ভুত কর্মকান্ডে অংশগ্রহণকারীদের এখনও মাস্ক পরিধান করতে হচ্ছে। কিন্তু প্রয়োজন হলে তারা সাময়িকভাবে তা খুলে ফেলতে পারে। বিশেষ করে কোনো যন্ত্র বাজানো বা খেলার সময়। ওমিক্রনের কারণে জানুয়ারিতে দুই সপ্তাহ স্কুল বন্ধ থাকার পর সশরীরে পাঠ নিতে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে ফিরতে শুরু করার কয়েক সপ্তাহ পর এ সিদ্ধান্ত এলো।
এদিকে প্রদেশের পরীক্ষা নীতিতে পরিবর্তন আনার কারণে কোভিড-১৯ আক্রান্তদের সঠিক সংখ্যা জানা যাচ্ছে না। কিন্তু হাসাপাতাল ও আইসিইউতে ভর্তির মতো অন্যান্য সূচকগুলো নিম্নমুখী, যা প্রদেশকে আরও বিধিনিষেধ থেকে সরে আসতে উদ্বুদ্ধ করছে।
প্রদেশের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার আরও বলা হয়েছে, ওমিক্রন ঢেউয়ের চ‚ড়ার সময় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সক্ষমতা ধরে রাখতে অজুররি অস্ত্রোপচারের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল আনুষ্ঠানিকভাবে তা তুলে নেওয়া হচ্ছে। হাসপাতাল ও আইসিইউতে ভর্তি কমতির দিকে থাকার অর্থ হলো অজরুরি অস্ত্রোপচার পর্যায়ক্রমে শুরু করা যেতে পারে।
বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৮৯৭ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। আইসিইউতে ছিলেন ৪৪৫ জন। আগের দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ২ হাজার ৫৯ এবং আইসিইউতে ৪১৩ জন কোভিড রোগী। ভাইরাসের কারণে প্রদেশে মানরা গেছে আরও ৪৪ জন।
This article was written by Rezaul Haque as part of the Local Journalism Initiative.
