
স্বাস্থ্যসেবা পেতে অন্টারিওবাসীকে নিজের পকেট থেকে ব্যয় করতে হবে না বলে জানিয়েছেন প্রদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিলবিয়া জোন্স। স্বাস্থ্যসেবা খাতের আরও বেসরকারিকরণ বাতিলে অস্বীকৃতি জানানোর ফলে সমালোচনার মুখে পড়ার একদিন পর বৃহস্পতিবার এ কথা বলেন তিনি।
আইনসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে বিরোধীরা স্বাস্থ্য সংকট নিরসনে সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এ নিয়ে চাপের মধ্যে পড়েন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এনডিপির অন্তবর্তী নেতা পিটার ট্যাবান্সের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, অন্টারিওতে সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় ওএইচআইপি কার্ড ব্যবহার করা যাবে। সেটা আমাদের নজরদারিতে থাকবে।
প্রদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা আরও বেসরকারিকরণ করা হবে কিনা জানতে চাইলে জোন্স বলেন, সব সম্ভাবনাই উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবারের প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে তার বক্তব্যের স্পষ্টতা দাবি করা হলে তিনি সরকারি সেবা প্রদানে বেসরকারি করপোরেশনের ভূমিকা পালনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি, অন্টারিওর স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থায় এরইমধ্যে যা শুরুও হয়েছে।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, উদ্ভাবন নিয়ে আমাদের ভয় পাওয়া উচিত নয়। অন্টারিও প্রদেশে আমরা এটা ভালোভাবেই করছি এবং এ ধরনের উদ্ভাবনকে আমি উৎসাহিত করতে চাই। কারণ, এর অর্থ হলো দিনশেষে জনগণের ভালো সেবা পাওয়া। এখন যা চলছে সেটাই চলতে থাকুক সেটা আমি চাই না।
কোভিড-১৯ মহামারির অনিস্পন্ন অস্ত্রোপচারের যে স্তুপ তৈরি হয়েছে তা নিরসনে বেসরকারি সার্জিব্যাল কোম্পানিকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি কোনো উত্তর দেননি।
অন্টারিওর স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার বড় অংশ এরইমধ্যে বেসরকারি খাতে পরিচালিত হচ্ছে। অসংখ্যা লং-টার্ম কেয়ার হোম, হোম কেয়ার ও নার্সিং এজেন্সি এর অন্তর্গত।
দুই স্তরের মেডিসিনের দরজা জোন্স উন্মুক্ত করে দিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন ট্যাবান্স। তিনি বলেন, তিনি কী বলেছেন যে, অন্টারিওতে আমরা বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারিত করবো না? না, তিনি সেটা বলেননি। তিনি সেটা বলতে পারেন না এবং সেটা বললে জনগণ ক্ষুব্ধ হবে। উদাহরণ হিসেবে অস্ত্রোপচারের সহায়তায় বেসরকারি খাত যদি তালিকাভুক্ত হয় তাহলে সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় এর একটা পরোক্ষ প্রভাব পড়বে। এর ফলে বেসরকারি কোম্পানির কাছে আরও স্বাস্থ্যকর্মী খুইয়ে এটা আরও ভঙ্গুর হবে।
This article was written by Rezaul Haque as part of the LJI
