ফ্লাইট বাতিল বেড়েছে

আগামী দুই মাসে ট্রানসাট তাদের মোট ফ্লাইটের প্রায় ৩০ শতাংশ বাতিল করতে যাচ্ছে ট্যুর অপারেটররা বলছেন ওমিক্রনের চলমান প্রভাব ও গত মাসে ফেডারেল সরকারের বিধিনিষেধের কারণে যাত্রীদের মধ্যে ভ্রমণ বাতিলের হিড়িক পড়ে গেছেছবিএয়ার ট্রানসাট

কোভিড-১৯ মহামারি আকাশ পরিবহন শিল্পের পরিকল্পনা ও মুনাফায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলেই চলেছে। কারণ কানাডার এয়ারলাইন্সগুলো তাদের ফ্লাইট শিডিউল ছোট করে আনছে।

আগামী দুই মাসে ট্রানসাট তাদের মোট ফ্লাইটের প্রায় ৩০ শতাংশ বাতিল করতে যাচ্ছে। ট্যুর অপারেটররা বলছেন, ওমিক্রনের চলমান প্রভাব ও গত মাসে ফেডারেল সরকারের বিধিনিষেধের কারণে যাত্রীদের মধ্যে ভ্রমণ বাতিলের হিড়িক পড়ে গেছে।

- Advertisement -

কানাডার জনস্বাস্থ্য বিভাগ ১৫ ডিসেম্বর বিদেশে সব ধরনের অজরুরি ভ্রমণ বাতিলের পরামর্শ দিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ট্রানসাটের ফ্লাইট শিডিউল ছোট করে আনার পরিকল্পনা বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হয়েছে এবং তা ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। যদিও মন্ট্রিয়লভিত্তিক এয়ারলাইন্সটি বলছে, আরও পরিবর্তন প্রয়োজন হতে পারে।

এয়ার কানাডা বুধবার বলেছে, মহামারির বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে তারা ক্যারিবিয়ানের ১৪টি গন্তব্যে ফ্লাইট বাতিল করছে। ১৪ জানুয়ারি থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়। ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বহাল তা থাকবে। মন্ট্রিয়লভিত্তিক কোম্পানিটি বৃহস্পতিবারই ১১ শতাংশ ফ্লাইট বাতিল করেছে। আগের দিন বুধবার বাতিল করেছে ১০ শতাংশ। সব মিলিয়ে এই দুই দিনে তারা ৮৭টি ফ্লাইট বাতিল করেছে বলে ট্র্যাকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ফ্লাইটঅ্যাওয়ারের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

এয়ার কানাডা রোগ বুধবার তাদের ১৪ শতাংশ ফ্লাইট বাতিল করেছে। এছাড়া আঞ্চলিক উড়োজাহাজ পরিচালনাকারী সংস্থা জ্যাজ এভিয়েশন বুধবার ১৬ শতাংশ ও বৃহস্পতিবার ১৪ শতাংশ বাতিল করেছে। এ নিয়ে এয়ার কানাডার অংশীদার এয়ালাইন্সটি ফ্লাইট বাতিল করেছে সাকল্যে ১৫৫টি।

ফ্লাইট স্থগিতের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সব যাত্রীর টিকিটের অর্থ ফেরত পাবেন বলে জানিয়েছে এয়ার কানাডা। যাত্রীদের টিকিটের পুরো অর্থ ফেরত দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ট্রানসাটও। তবে যেসব ক্ষেত্রে সম্ভব সেসব ক্ষেত্রে বিকল্প টিকিট বুকিংয়ের সুযোগ পাবেন এয়ারলাইন্সটির যাত্রীরা। তবে ঠিক কোন কোন রুটে তারা ফ্লাইট স্থগিত রাখছে সে ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট করে কিছু জানায়নি এয়ারলাইন্সটি।

এসব সিদ্ধান্ত আসে ওয়েস্টজেট এয়ারলাইন্সের সিদ্ধান্তের এক সপ্তাহ পর। ওমিক্রনের কারণে ফ্লাইট ক্রুদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অসুস্থ হওয়ার কথা উল্লেখ করে এয়ারলাইন্সটি ১৫ শতাংশ ফ্লাইট বাতিল ঘোষণা করে।

এয়ারলাইন্স খাত মহামারির প্রথম বছরের ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে শুরু করার মধ্যেই আবারও সংকটের মধ্যে পড়ল। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের উড়োজাহাজ পরিবহন সংস্থাগুলো চলতি মাসের এখন পর্যন্ত কয়েক হাজার ফ্লাইট বাতিল ঘোষণা করেছে।

This article was written by Rezaul Haque as part of the Local Journalism Initiative.

- Advertisement -

Read More

Recent