
কারন, জাস্টিন ট্রুডোর সংখ্যালঘু সরকার নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টির সমর্থন নিয়ে সরকার চালাচ্ছে। নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টি সমর্থন প্রত্যাহার করে নিলে লিবারেল পার্টির পতন হবে।
ডেপুটি প্রাইমিনিস্টার এবং অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড ক্যাবিনেট থেকে পদত্যাগ করার পর জাস্টিন ট্রুডোর উপর নিজ দল থেকে দলিয় প্রধানের পদ থেকে পদত্যাগ করার জন্য চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।
নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রধান জাগমিত সিং ইতিমধ্যে বলেছেন, জাস্টিন ট্রুডোকে চলে যেতে হবে। জাস্টিন ট্রুডো দলের প্রধান পদ থেকে সরে না দাড়ালে তিনি তাকে আর সমর্থন করবেন না।
এর অর্থ দাঁড়ায়, জাস্টিন ট্রুডো লিবারেল পার্টির নেতৃত্ব ধরে রাখলে কনজারভেটিভ পার্টি লিবারেল পার্টির বিরুদ্ধে পার্লামেন্টে কোন নো-কনফিডেন্স মোশন আনলে এনডিপি লিবারেল পার্টির বিরুদ্ধে ভোট দিবে আর এনডিপি লিবারেল পার্টি বিরুদ্ধে ভোট দিলে লিবারেল মাইনোরিটি সরকারের পতন হবে। এনডিপি নিজেও লিবারেল পার্টির বিরুদ্ধে পার্লামেন্টে নো-কনফিডেন্স মোশন আনতে পারেন। সেক্ষেত্রে কনজারভেটিভ পার্টি লিবারেল সরকারের বিরুদ্ধে ভোট দিলে লিবারেল পার্টির পতন হবে।
ট্রুডোর সামনে এখন দুটো পথ খোলা আছে:
১) দলিয় প্রধান থেকে পদত্যাগ করে অন্য কাউকে পার্টির নেতৃত্বে আসতে দেওয়া। তিনি পদত্যাগ করলে পার্টিই নির্ধারণ করবে কে পার্টির হাল ধরবে। পার্টির নেতৃত্বে পরিবর্তন হলে এনডিপি তার সমর্থন অব্যাহত রাখবে।
২) জাস্টিন ট্রুডো পার্লামেন্ট ভেংগে দিয়ে নতুন নির্বাচনের দিকে যাবেন। তিনি এবং তার পার্টি নতুন করে জনগনের ম্যান্ডেট চাইবেন।
এই অবস্থায় দেখা যাক জাস্টিন ট্রুডো কোন পথ বেছে নেন।
তবে এবার তার পক্ষে উতরে যাওয়া কঠিন হবে।
স্কারবোরো, কানাডা
