কার্নির জনপ্রিয়তা তুঙ্গে

মার্ক কার্নির জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে

মার্ক কার্নির জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। তিনি পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে আবার নির্বাচনে গেলে মেজরিটি পেতে পারেন, আর মেজরিটি পেলে লিবারেল সরকার তাদের ইচ্ছেমতো কারও ওপর নির্ভর না থেকে বিল পাস করতে পারবে, পলিসি মেক করতে পারবে। কিন্তু তিনি সেই দিকে যাচ্ছেন না। এর কারণ কী?

মাত্র কিছু দিন আগেই নির্বাচন হয়ে গেল। এই স্বল্প সময়ের ব্যবধানে আরেকটি ব্যয়বহুল নির্বাচন দেশের এই অর্থনৈতিক দুরাবস্থার মধ্যে করতে যাওয়া কোনো যুক্তির মধ্যে পড়ে না।

- Advertisement -

মার্ক কার্নি হিসাবি মানুষ। দুই-দুইটা দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ছিলেন। তিনি বেহিসেবি কিছু করতে যাবেন না।

বরং তিনি খরচ না বাড়িয়ে কিভাবে নির্বাচন ছাড়াই মেজরিটি পাওয়া যায়, সেই পথেই যাবেন।

আর গত নির্বাচনে লিবারেল পার্টি খুব কম আসনের ঘাটতিতে মেজরিটি থেকে দূরে ছিল। লিবারেল পার্টি আসন পেয়েছিল ১৬৯। মেজরিটির জন্য দরকার ১৭৩। মাত্র চারটি আসনের জন্য মেজরিটি হয়নি।

মাত্র চারটি আসনের জন্য কোনো বোকাও এই স্বল্প সময়ের ব্যবধানে নির্বাচনে যাবে না।

বরং চারজন এমপিকে যদি অন্য দলগুলি থেকে লিবারেল পার্টিতে নিয়ে আসা যায়, তবে মন্দ কী?

এতে নির্বাচনও দিতে হচ্ছে না, অর্থও ব্যয় হচ্ছে না, আবার মেজরিটিও পাওয়া যাচ্ছে।

সাপও মরল, লাঠিও ভাঙল না।

খুব সহজ হিসাব।

একজন ব্যাংকার হিসেবে তার লজিক এভাবেই হয়তো কাজ করেছে।

ইয়েস, এখানে অনৈতিক ব্যাপার অবশ্যই আছে।

মার্ক কার্নি নিজেও জানেন, একজন আজীবন ডানপন্থী, যে কিনা অ্যাবরশনের বিরোধিতা করেছেন, এলজিবিটিকিউ রাইটসের বিরোধিতা করেছেন, তিনি রাতারাতি লিবারেলের আদর্শের ধারক-বাহক হয়ে যাবেন না।

কিন্তু কী আর করার? সহজ পথে এটাই ছিল একমাত্র পথ।

তিনি ক্যালকুলেটিভ গেম খেলেছেন।

বিষয়টি অনৈতিক, কিন্তু হিসাবি চাল।

- Advertisement -

Read More

Recent