অটোয়ায় প্রদর্শিত হলো চলচ্চিত্র “শেকড়”

Audience seated in a dark theater watches two presenters on stage in front of a large screen behind them.
চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর আগে লেখক ডঃ সানাউল মোস্তফার সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা হয়

অটোয়ায় প্রদর্শিত হলো লেখক ডঃ সানাউল মোস্তফা’র উপন্যাস “তারপর” অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র “শেকড়”।গত ২১ জুন বিকেল ৪টায় Cineplex Odeon South Keys Cinemas এ অনুষ্ঠিত এ প্রদর্শনীতে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার দর্শক উপস্থিত ছিলেন।

চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর আগে লেখক ডঃ সানাউল মোস্তফা’র সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা হয়।তিনি নিজেকে লেখকের চেয়ে “গল্পকার” হিসেবেই পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।এ সময় তিনি “তারপর” উপন্যাস লেখার পেছনের গল্প এবং কীভাবে এটি নির্মাতা প্রসূণ রহমানের হাতে চলচ্চিত্রে রূপ নেয়, সেই অভিজ্ঞতাও শেয়ার করেন।

- Advertisement -

সিনেমার শুরুতেই ঢাকা বিমানবন্দরে প্লেন অবতরণের দৃশ্য দর্শকদের মনে ভিন্ন রকম আবেগের জন্ম দেয়। প্রবাস জীবনে দেশের মাটিতে ফেরার অনুভূতি যেন পর্দা জুড়ে জীবন্ত হয়ে ওঠে। দীর্ঘ ১২ বছর পর এক ৩৬ বছর বয়সী যুবকের নিজের ১০ বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে মায়ের কাছে ফিরে আসার গল্প আবেগ, ভালোবাসা, স্মৃতি, টানাপোড়েন ও অভিমানের সূতোয় এগিয়ে যায়।

Group of about fifteen men and women in colorful traditional and modern clothing posing for a group photo inside Outtakes Backstage Bistro, with the venue sign visible in the background.

পুরো চলচ্চিত্রজুড়ে দর্শকরা কখনো হাসেন, কখনো আবেগে আপ্লুত হন।পারিবারিক সম্পর্ক, শেকড়ের টান এবং দেশপ্রেমের অনুভূতি সিনেমাটিকে করে তোলে হৃদয়স্পর্শী।এই যে এত গভীর শেকড়ের টান তবুও কেনো ফেরা হয় না! হয় না, কারণ আমাদের অনেকেই ২০/৩০ এমনকি ৪০ বছর দেশের বাইরে! এখানেও শেকড় গেড়ে বসেছে আমাদের। আমরা এখন তাই, শীতের পাখি!

চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন,

দিলারা জামান, এফএস নাইম, আইশা খান, শিশু শিল্পী মুনতাহা এমেলিয়া সহ আরো অনেকে।

বাংলাদেশে এখনো চলচ্চিত্রটি মুক্তি না পাওয়ায় গল্পের বিস্তারিত প্রকাশ থেকে বিরত থাকলাম।

দর্শকদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।বাবা দিবসে’র দিন রবিবার বিকেলে অনেকে সময় করে সিনেমা দেখতে এসেছিলেন, এর জন‍্য তাদেরকে ধন‍্যবাদ আবারো।

সিনেমা শেষ হবার পর আমরা দর্শকদের অনুভূতি জানি।সানাউল মোস্তফা লেখক হিসাবে কিছু উত্তর দেন!অনেকে সিনেমার মেকিং নিয়ে কথা বলেছেন।তাদের মতামত জানিয়েছেন।আমিও অভিবাসীদের অনুভব নিয়ে কিছু কথা বলি।

তবে একথা সবাই বলেছেন, বিদেশের মাটিতে বসে “শেকড়” দেখে সবাই আবেগাপ্লুত হয়েছেন।মা,দেশ, সংস্কৃতি যা আমাদের ভিতরে গভীর ভাবে ছড়িয়ে আছে আর বাংলাদেশের মানুষের জন‍্য দেশ মানেই ভাষা, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা আর শহীদদের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া সবুজের বুকে লাল পতাকা!

জানা গেছে, কানাডার আরও কয়েকটি শহরেও “শেকড়” প্রদর্শিত হবে। সিনেমাটি দর্শক জনপ্রিয়তা লাভ করুক।সবাই জানতে পারুক অভিবাসীদের টানাপোড়ন সিনেমার পর্দায়!

 

অটোয়া, কানাডা

- Advertisement -

Read More

Recent