
হিমাদ্রী রায় সঞ্জীব। হিমাদ্রী নামেই ব্যাপকভাবে পরিচিত। ১৯৭৩ সালে সুনামগঞ্জের, সাচনা বাজার, জামালগঞ্জ গ্রামে হিমাদ্রীর জন্ম। আহত মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন কেন্দ্র, বালাট এর আহবায়ক মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ঋষিকেশ রায় ও বিন্দুবাসী রায় দম্পতির কনিষ্ঠ পুত্র হিমাদ্রী। ভাটির দেশ হবিগঞ্জ-সুনামগঞ্জের অবারিত হাওর ও দিগন্তবিস্তৃত সবুজের অকৃত্রিম আলোহাওয়ায় বেড়ে ওঠা হিমাদ্রীর হৃদয়খানিও অকৃত্রিম সজীব।
ছাত্রাবস্থায়ই কবিতা পাঠ ও লেখালেখিতে হিমাদ্রীর হাতেখড়ি। পুরোপুরিভাবে আবৃত্তি চর্চায় নিবেদিতপ্রাণ হয়ে ওঠেছেন ২০১৭ সাল থেকে। টরন্টোর অন্যতম আবৃত্তি সংগঠন অন্যস্বরে সাংগঠনিকভাবে কাজ করেছেন, আবৃত্তি করেছেন৷ পরবর্তীতে বন্ধুদের সাথে গঠন করেছিলেন আবৃত্তি সংগঠন ‘কণ্ঠচিত্রণ’। এখন মুক্তচর্চায় নিয়মিত। অভিনেতা, নাট্যকার ও নাট্য নির্দেশক মাহমুদুল ইসলাম সেলিম-এর নেতৃত্বে প্রাচ্য-প্রতীচ্য নাট্য গঠিত হলে হিমাদ্রী সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।
২০২৪ সালে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষিতে টরন্টোয় যে কয়েকজন অকুতোভয় মুক্ত সংস্কৃতি কর্মী মুক্তবুদ্ধি চর্চার সাংস্কৃতিক কর্মীদের নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ ও অসাম্প্রদায়িক ভাবনায় সাংস্কৃতিক আন্দোলন শুরু হয়, হিমাদ্রী রায় তার অন্যতম অগ্রনায়ক। টরন্টো শহরেই শুধু নয়, হিমাদ্রী রায় উত্তর আমেরিকায় ব্যাপকভাবে পরিচিত একজন আবৃত্তি শিল্পী৷
আগামী ১২ই জুলাই, ২০২৬ সালে, টরন্টো শহরের ফেয়ারভিউ লাইব্রেরি থিয়েটার হলে, প্রাচ্য-প্রতীচ্য নিবেদিত মাহমুদুল ইসলাম সেলিম নির্দেশিত জনপ্রিয় নাটক দেওয়ান গাজীর কিসসা-র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক চরিত্রে অভিনয় করবেন হিমাদ্রী। অগণিত ভক্ত-বন্ধু-শ্রোতারা আবিষ্কার করবেন হিমাদ্রীর আরেকটি উল্লেখযোগ্য শিল্পী-প্রতিভার দিক।
