
সমুদ্রের জল সব দুঃখ শুষে নেয়? নাকি লবন?
আমাদের কথাবলার অবসরেই কোনদিন রাত হয়, কোনদিন ভোর, কোনদিন দুপুর গড়িয়ে সন্ধ্যা হয়!
আমরা কত কথা বলি!
কত ‘অশ্রু দিয়ে লেখা গান!”
আমাদের কথার ভিতর চড়ুই পাখিদের ওড়াউড়ি!
কখনো জানালার পাশে পথচলা পথিকদের কলকল কথার রোদে আমরা চুপকথা হই!
কখনো ভিজতে থাকি জানালার বাইরের ঝুম বৃষ্টিতে।
‘শুনতে পাচ্ছো নদী?
বৃষ্টি কেমন করে ভেজায় শহর?
দূরের দেয়ালের পাশে জড়াজড়ি করে চুমু খায় এক বয়সী যুগল! ভেজাচুল বেয়ে বৃষ্টির জল আর চোখভাসী জল মিশে একাকার!’
ঝাউগাছের পাতায় পাতায় বসন্ত বারতা?
‘এপারেতে উপবনে, কত খেলা কতজনে’ ….
দূরের হাইরাইজের পিছন থেকে আকাশ আলো হতে শুরু করছে!
চোখের তেত্রিশটা চুমুর আহ্লাদে জড়াজড়ি করে ওরা হাঁটতে শুরু করে!
শোন,আমাদের দেখা হওয়া ভোরে সূর্যকে সাথে আনবো!
তুমি ভীষণ শীত কাতুরে, আমার দুহাতের মুঠোয় ধরবো তোমার হাত!
চৌরাস্তার মোড়ের কফিশপের জানালা ঘেঁষা টেবিলটায় মুখোমুখি দুজন!
লাতে, ক্যাপাচিনোয় চুমুকে শুধু কথার ফুলঝুরি?
মুগ্ধ হতে হতে ও ভাববে ,এত কথা বলতে পারে মানুষ?
তোমার কাছে এলেই আমি আসমুদ্রহিমাচল সমসৃণ বয়ে যাই নদী!
তোমার কাছে এলেই,
শুভংকর নন্দিনীর কথোপকথন এ ডুবে যাই!
আমাদের কারো কারো পথচলার গল্প এভাবেই বড় হতে থাকে স্বপ্ন আর সত্যিতে!
কখনো দূরভাসী রোদ্দুরে সময় হারায়, নীল ছোপ ছোপ অবহেলায়!
অটোয়া, কানাডা
