
চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ৮০০ এর বেশি কানাডিয়ান, স্থায়ী বাসিন্দা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা ইরান, ইসরায়েল ও পশ্চিম তীর ছেড়েছেন। ভয়াবহ এই সহিংসতা থেকে পালাতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়ানোর পর থেকে এই সংখ্যক মানুষ এলাকাটি ছাড়লেন বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডার বুধবারের যে হালনাগাদ তথ্য তাতে সংস্থাটি ব্যক্তিগতভাবে নিরাপত্তা খুঁজে নেওয়া মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের বহ কানাডিয়ানের ব্যাপারেও অবগত আছে। ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির তৃতীয় দিন ছিল বৃহস্পতিবার। দুই দেশের মধ্যে ১২ দিন ধরে পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর এই যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় দেশ দুটি।
ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলার চালানোর পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির জন্য মধ্যস্থতা করেন, মঙ্গলবার থেকে যা কার্যকর হয়েছে। আগামী সপ্তাহে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অধিকতর দর-কষাকষি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনীতা আনান্দ বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনা চরম পর্যায়ে রয়েছে।
বৃহস্পতিবার ইরান অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য দেশটির পূর্বাংশের আকাশসীমার আংশিক পুনরায় খুলে দিয়েছে। যেসব উড়োজাহাজ ইরানিয়ান আকাশে ট্রানজিট নিয়ে থাকে তাদের জন্যও আকাশ খুলে দিয়েছে দেশটি। দুই সপ্তাহ আগে ইসরায়েলে প্রাথমিক হামলার পর আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছিল ইরান।
গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা বুধবার জানায়, সরকারের ব্যবস্থা করে বাসের সাহায্যে তেল আবিব ও রামাল্লা থেকে সাতজনকে নিরাপদে জর্ডানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আগের দিন সরকারের ভাড়া একটি উড়োজাহাজে করে ৯৫ জনকে জর্ডান থেকে গ্রিসে সরিয়ে নেওয়া হয়। সেখানে কনসুলার কর্মকর্তারা ভ্রমণকারীদের বাড়তি সহায়তা দেন।
