
অন্টারিও প্রদেশে অবস্থিত লিকার কন্ট্রোল বোর্ড অব অন্টারিও (এলসিবিও)-র বিভিন্ন খুচরা দোকানে সম্প্রতি চুরির ঘটনা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। সরকারি মালিকানাধীন এই প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে যে ধরনের নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ উঠছে, তা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও কর্মীরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
সাম্প্রতিক এক অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, গত এক বছরে এলসিবিও’র স্টোরগুলো থেকে মদ ও অন্যান্য দ্রব্য চুরির পরিমাণ কয়েকগুণ বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মুদ্রাস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধি এ ধরনের অপরাধ বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক ক্ষেত্রেই তরুণদের দলবদ্ধভাবে দোকানে প্রবেশ করে হঠাৎ করে বোতল নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে।
কর্মীদের অভিযোগ, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য যথেষ্ট ব্যবস্থা নেই। অনেক দোকানে নিরাপত্তারক্ষী থাকলেও চোরেরা সংগঠিতভাবে চুরি করায় তাদের সামলানো কঠিন হয়ে পড়ছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পুলিশে অভিযোগ জানানো হলেও, চুরি হওয়া সামগ্রী উদ্ধার করা সম্ভব হয় না।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, এলসিবিওকে নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। অন্যদিকে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শুধু নিরাপত্তা জোরদার করলেই সমাধান আসবে না, বরং সামাজিক ও অর্থনৈতিক চাপ কমানোর দিকেও নজর দেওয়া জরুরি।
এলসিবিও কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা ইতিমধ্যেই কিছু স্টোরে উন্নত সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে এভাবে চুরির ঘটনা অব্যাহত থাকলে প্রতিষ্ঠানটি বছরে কয়েক মিলিয়ন ডলারের ক্ষতির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
