
২০৩০ ও ২০৩৫ সালের জন্য জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রা তাদের সরকার কমাক সেটা দেখতে আগ্রহী নন কিছু লিবারেল এমপি। কানাডা তার জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের প্রতিশ্রæতিতে অনড় থাকবে কিনা সে ব্যাপারে নীরব রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি।
কার্নি বলেন, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে আগের লক্ষ্যমাত্রা পুনরায় স্পষ্টভাবে নিশ্চিত করতে কতিপয় এমপি রাজি না হওয়ায় এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আগের লক্ষ্যমাত্রায় ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিরপেক্ষতা অর্জনের কথা বলা হয়েছে।
প্যারিস চুক্তিকে কানাডা ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ ২০০৫ সালের মাত্রার তুলায় কমপক্ষে ৪০ শতাংশ হ্রাসের অঙ্গীকার করেছে।
মন্ট্রিয়লের এমপি এবং সাবেক মন্ত্রী মার্ক মিলার বুধবার বলেন, এই লক্ষ্যমাত্রা কমানো হোক ব্যক্তিগতভাবে আমি সেটা চাই না। ২০২১ সালের আইনে সন্নিবেশিত লক্ষ্যমাত্রার ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তার জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এডমন্টনে লিবারেল ককাসের বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন মার্ক মিলার। প্রধানমন্ত্রী কোন পথে যান সেটা দেখার বিষয়।
বুধবার তার বক্তৃতায় কার্নি তার পরিকল্পনা প্রকাশের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন, যাকে তিনি বলছেন জলবায়ু প্রতিযোগিতা কৌশল। তবে ২০৩০ ও ২০৩৫ সালের লক্ষ্যমাত্রার বিষয়ে কিছু বলেননি তিনি। তার ভাষায়, কৌশলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি মনোযোগ থাকবে ফলাফলের ওপর। নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে বিনিয়োগের ওপর।
গত বৃহস্পতিবার তিনি নতুন আইন দ্য বিল্ডিং কানাডা অ্যাক্টের আওতায় ফাস্ট-ট্র্র্যাক অনুমোদনের জন্য প্রথম পাঁচটি বৃহৎ প্রকল্পের নাম প্রকাশ করেন। প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে পোর্ট অব মন্ট্রিয়লের সম্প্রসারণ ও ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন দ্বিগুণ করা। জাতীয় স্বার্থে হওয়া সাপেক্ষে প্রকল্প নির্বাচনে ফেডারেল মন্ত্রীদের ক্ষমতা দিয়েছে আইনটি।
