দেখতে দেখতে চোখের সামনেই ছেলে মেয়েরা বড়ো হয়ে গেছে। স্কুল কলেজের গন্ডি পেরিয়ে লাবিবা এখন ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটির kelkey S School of Business এ data science এ মাস্টার্স প্রোগ্রাম এ পড়াশোনা করছে আর ফারজাদ হাই স্কুলে। এই প্রজন্মের অনেকেই এখন বিদেশে পড়াশোনা করছে। অথচ আমাদের সময় এটা ছিলো স্বপ্নের মতো। আমেরিকা বা কানাডায় পড়াশোনা করে দেশে ফিরে আসবো, দেশের জন্যে কাজ করবো এরকম একটা বিষয় মনের ভেতর খেলা করতো। এখন সময় বদলে গেছে। কেউ আর দেশে ফেরার কথা চিন্তা করে না। এমন কি বাবা মা রাও দেশে জায়গা জমি, বাড়ি ঘর সব কিছু বিক্রি করে পাড়ি জমাচ্ছে বিদেশে। প্রায় প্রতিটি মধ্য বিত্ত পরিবারে কেউ না কেউ এখন আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া বা ইউরোপে বসবাস করে।
আবার প্রতিটি নিম্নমধ্য বিত্ত পরিবারে কেউ না কেউ মধ্য প্রাচ্য, সাউথ আফ্রিকা, ইউরোপে কিংবা আমেরিকায় পাড়ি জমিয়েছে। বাংলাদেশে এখন প্রতি পরিবারে রয়েছে পাঁচ জনের কম সদস্য। তাদের মধ্যে অন্তত একজন বিদেশে চলে গেছে। রেমিটেন্সের পরিমাণের দিকে তাকালে সংখ্যাটা অনুমান করা যায়।
পঞ্চাশ থেকে আশির দশক পর্যন্ত যে প্রজন্ম দেশে ফিরে এসেছিল তারা এখন বিলিয়মান। এক সময় এরাই দেশে সামাজিক এবং রাজনৈতিক নেতৃত্ব দান করেছিলেন। এদের কেউ কেউ শিক্ষকতা এবং গবেষণা পেশা বেছে নিয়েছিলেন। পঞ্চাশ এবং ষাটের দশকের প্রজন্মের প্রথম পছন্দ ছিলো যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র। স্বল্প সংখ্যক গিয়েছিলেন জার্মানি, নেদারল্যান্ড বা পশ্চিম ইউরোপে।
(চলবে…)
নুতন প্রজন্মের উত্থান
- Advertisement -

