
মা তার অপছন্দের নার্সিং হোমে যেতে অস্বীকৃতি জানানোয় অন্টারিওর উইন্ডসরের একটি হাসপাতাল থেকে দক্ষিণপশ্চিম অন্টারিওর এক নারীর কাছে ৮ হাজার ৪০০ ডলার বিল পাঠানো হয়েছে। যদিও এই বিল পরিশোধের কোনো ইচ্ছা তার নেই বলে জানিয়েছেন ওই নারী।
নতুন আইনের অধীনে এই বিপত্তিতে পড়েছেন মাইকেল ক্যাম্পো এবং তার ৬৩ বছরের মা রুথ পোপার্ড। এই আইনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে রোগীর পছন্দ না হলেও তাকে নার্সিং হোমে পাঠানোর ক্ষমতা দিয়েছে। হাসপাতালের শয্যা খালি রাখতেই এই উদ্যোগ। রোগী নার্সিং হোমে যেতে অস্বীকৃতি জানালে প্রতিদিন ৪০০ ডলার করে জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
এই বিল এসেছে হোটেল-ডিউ গ্রেস হেলথকেয়ার থেকে। এই হাসপাতালেই ক্যাম্পোর মা ভর্তি ছিলেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ক্যাশিয়ারের অফিসে এই বিল পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। হাসপাতালটি পরিবারটির ওপর ২১ দিনের মাশুল আরোপ করেছে।
ক্যাম্পো বলেন, আমি কখনোই এই অর্থ পরিশোধ করব না। কারণ, আইনটিই ঠিক নেই। জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের সঙ্গে তারা যেটা করার চেষ্টা করছে সেটা ঠিক নয়।
এপ্রিল থেকে যুক্ত হওয়া বিলম্ব মাশুলসহ আগামীতে আরও বড় বিল পাবেন বলে মনে করছেন ক্যাম্পো। তিনি বলেন, শিগগিরই ১২ হাজার ডলারের আরও একটি বিল আসবে বলে আমরা আশা করছি।
৯ মে বিকালে ক্যাম্পো জানতে পারেন যে, তার মায়ের প্রথম পছন্দের নার্সিং হোমটি তাকে নিতে রাজি হয়েছে। আগামী সপ্তাহে তিনি সেখানে যাবেন। সে পর্যন্ত মে মাসের জন্য আমরা ৬ হাজার ডলারের আরেকটি বিল পাব।
দ্য মোর বেডস, বেটার কেয়ার অ্যাক্ট বা বিল ৭ হাসপাতালগুলোকে এ ধরনের জরিমানা আদায়ের সুযোগ করে দিয়েছে। অতি জরুরি হাসপাতালের শয্যা উন্মুক্ত রাখতে ২০২২ সালের ফলে ডগ ফোর্ড সরকার আইনটি পাস করে।
উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত ৩০০ রোগীকে তাদের পছন্দ নয় এমন নতুন নার্সিং হোমে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে অপরিশোধিত বিল নিয়ে কী হবে তা নিয়ে অস্পষ্টতায় রয়েছেন ক্যাম্পো। তিনি বলেন, পরবর্তীতে কী হবে সে ব্যাপারে আমার কোনো ধারণা নেই। আমি শুধু চাই আমার মা একটি ভালো স্থানে থাকুন। এটাই মূল কথা।
