
২০২১ সালে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বৈধ উৎস থেকে বেশি গাঁজা কিনেছেন কানাডিয়ানরা। গাঁজা বৈধ করার পর রাস্তার পাশের দোকান থেকে এটি সিংহভাগ বিক্রি হয়েছে বলে হেলথ কানাডার বার্ষিক সমীক্ষায় উঠে এসেছে।
পট ব্যবহারকারী ১০ হাজার কানাডিয়ানের ওপর সমীক্ষাটি চালিয়েছে হেলথ কানাডা। সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের বয়স ১৬ বছরের ওপরে। সমীক্ষায় দেখা গেছে, গাঁজার ৫৩ শতাংশ ক্রেতা বৈধ দোকান থেকে নিয়মিত এটি ক্রয় করেছেন। ২০২০ সালে যেখানে বৈধ দোকান থেকে গাঁজা কিনেছিলেন ৪১ শতাংশ কানাডিয়ান।
এছাড়া বৈধ অনলাইন প্ল্যাটফরম থেকে তাদের পট কিনেছেন ১১ শতাংশ কানাডিয়ান। ২০২০ সালে যেখানে এ হার ছিল ১৩ শতাংশ। সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ২ শতাংশ কানাডিয়ান গাঁজার উৎস হিসেবে অবৈধ দোকান ও অনলাইনের কথা উল্লেখ করেছেন। ২০২০ সালে যেখানে এ হার ছিল ৩ শতাংশ।
মোটামুটি ১১ শতাংশ কানাডিয়ান বন্ধুদের কাছ থেকে গাঁজা পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। এছাড়া ৩ শতাংশ পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে এবং ৮ শতাংশ নিজেরাই উৎপাদনের কথা বলেছেন।
এসব উপাত্ত এমন এক সময় এলো যখন গাঁজা কোম্পানিগুলো দাম কমানোর পাশাপাশি অবৈধ বাজার ছোট করে আনতে বেশি করে দোকান খুলছে। তাদের মতে, দোকানের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি মূল্য আকর্ষণীয় করা হলে তা বৈধ চ্যানেলকে ডিলার ও অন্য অবৈধ উৎসের সঙ্গে প্রতিযোগিতার সুযোগ করে দিতে পারে। কারণ অবৈধ উৎসগুলো কম মূল্যে সহজেই ক্রেতার কাছে গাঁজা পৌঁছে দিয়ে থাকে।
কোভিড-১৯ মহামারি পট ব্যবহারের ওপর কি ধরনের প্রভাব ফেলেছে সেদিকেও আলোকপাত করা হয়েছে হেলথ কানাডার সমীক্ষায়। এক বছর ধরে গাঁজা সেবন করছেন এমন ব্যক্তিদের কাছে জানতে চাওয়া হলে মহামারির মধ্যে তাদের পট ব্যবহারে কোনো পরিবর্তন এসেছে কিনা। ৪৯ শতাংশ একই পরিমাণ গাঁজা ব্যবহারের কথা জানিয়েছেন। ২০২০ সালে যেখানে সংখ্যাটি ছিল ৫৬ শতাংশ। তবে ৩০ শতাংশ কানাডিয়ান মহামারির মধ্যে গাঁজার ব্যবহার বাড়িয়ে দেওয়ার কথা বলেছেন। ২০২০ সালে যেখানে হারটি ছিল ২২ শতাংশ। এছাড়া সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ২২ শতাংশ কানাডিয়ান মহামারির মধ্যে গাঁজার ব্যবহার কমিয়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। ২০২০ সালেও হারটি প্রায় একই রকম ছিল।
বয়স হিসেবে ২৫ বছর ও তার বেশি বয়সী ২৫ শতাংশ কানাডিয়ান গাঁজার ব্যবহার বাড়িয়েছেন বলে মত দিয়েছেন। যদিও ১৬ থেকে ১৯ বছর বয়সীদের মধ্যে এ হার ৪৬ এবং ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সীদের মধ্যে ৪০ শতাংশ।
This article was written by Rezaul Haque as part of the Local Journalism Initiative.
