
‘মানব জীবনের নশ্বরতা আর ইতিহাসজাত বেদনার উন্মোচনে তাঁর কাব্যিক গদ্যের ব্যঞ্জনা’কে সম্মান জানিয়ে সুইডিশ একাডেমি ২০২৪ সালে সাহিত্য অনুষদে নোবেল বিজয়ী হিসেবে যাঁর নাম ঘোষণা করেছেন, তিনি হলেন দক্ষিণ কোরিয়ার বুকার বিজয়ী গ্রন্থকার হান কাং (৫৩)। তিনি তাঁর প্রতিটি গদ্য উপাখ্যানে দেহ ও আত্মা এবং মৃত ও অ-মৃতদের মধ্যে অত্যন্ত সচেতনতার সাথে একটি সংযোজন প্রকৃয়া সম্পন্ন করতে গিয়ে এক ধরণের পরীক্ষামূলক কাব্যিক শৈলী প্রয়োগ করেছেন।
সমসাময়িক গদ্যকর্মে কাং-এর এই কাব্য-শৈলী নিয়ে এসেছে এক অনন্য উদ্ভাবন-উম্মাদনা।
‘ব্ল্যাক ডিয়ার’ (১৯৯৮), ‘ইওর কোল্ড হ্যান্ডস’ (২০০২), ‘দ্য ভেজিটেরিয়ান’ (২০০৭) ‘ব্রিদ ফাইটিং’ (২০১০)-এর মতো উপন্যাসগুলো জন্ম দিয়েছে কাং-এর কলম। ‘দ্যা ভেজিটেরিয়ান’-এর জন্য ২০১৬ সালে তিনি বুকার পুরস্কার পেয়েছিলেন। উপন্যাস ‘আই ডু নট বিড ফেয়ারওয়েল’-এর জন্য ২০২৩ সালে মেডিসিস পুরস্কার পেয়েছিলেন ফ্রান্সে।
পুরস্কার বাবদ ১১ লক্ষ সুইডিশ ক্রাউন (১১ লক্ষ আমেরিকান ডলার) দেওয়া হবে তাঁকে। ১০ ডিসেম্বর স্টকহোমে আনুষ্ঠানিক ভাবে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে সাহিত্যে প্রথম দক্ষিণ কোরিয়ান এবং প্রথম এশীয় নারী নোবেল বিজয়ী হান কাং-এর হাতে।
১৯০১ সাল থেকে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারগুলো পুরুষদের কব্জায়। ২০২২ সালে ফ্রান্সের অ্যানি এরনাক্স ছিলেন সর্বশেষ নারী নোবেল বিজয়ী। হান কাং সাহিত্যে নোবেলের ইতিহাসে ১৮তম নারী বিজয়ী।
অভিনন্দন, হান কাং।
টরন্টো, কানাডা
