
২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে শক্তিশালী সাইক্লোন নিউজিল্যান্ডে আঘাত হানার পর দেশটির উত্তর আইল্যান্ডের হাজার হাজার মানুষকে প্রায় এক সপ্তাহ ইন্টারনেট বা সেলফোন সেবার বাইরে থাকতে হয়। কারণ, প্রধান প্রধান যেসব সড়ক দিয়ে ফাইবার অপটিক কেবল গেছে সেগুলো ভেসে যায়।
সাইক্লোন গ্যাব্রিয়েলের মধ্যেও ইন্টারনেট সংযোগ ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন তাদের অনেকেই নির্ভর করেছিলেন লাইফলাইনের ওপর, মাত্র কয়েক বছর আগেও যার অস্তিত্ব ছিল না। এটি হচ্ছে স্টারলিংক নামে পরিচিত স্পেসএক্সের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট।
বিশে^র কক্ষপথে হাজার হাজার স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা দিয়ে আসছে কোম্পানিটি। ২০২১ সালে নিউজিল্যান্ডে সেবাটি চালু করার পর থেকে এর ব্যবহার ব্যাপক বেড়েছে। বিশেষ করে গ্রামীণ কমিউনিটিগুলোতে। ঝড়ের পরও ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে সাহায্য করেছিল এটি।
নিউজিল্যান্ডের ১৪ শতাংশ গ্রামীণ পরিবার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযুক্ত। স্টারলিংকের এখানে একচেটিয়া দখল। স্যাটেলাইট এখানে আশীর্বাদ। খেলা বদলে যাচ্ছে।
কানাডাতেও প্রযুক্তিটি শিগগিরই চালু হবে বলে মনে হচ্ছে। স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ যোগাযোগ অবয়ব নেওয়া অব্যাহত রেখেছে। শিল্প পর্যবেক্ষকরা বলছেন, রেজিলিয়েন্সি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত কমিউনিটিগুলোর যোগাযোগ উন্নত করা এবং কানাডার টেলিযোগাযোগ শিল্পে প্রতিযোগিতা বাড়াতে এর প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যণীয় ভূমিকা রাখবে।
অ্যাকাডেমিক, শিল্প নির্বাহী এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার কর্মকর্তারা ১৬ অক্টোবর টরন্টোতে এক সম্মেলনে জড়ো হযেছিলেন। আইভি বিজনেস স্কুল আয়োজিত ওই সম্মেলনে কানাডিয়ান টেলিযোগাযোগ খাতে স্যাটেলাইট প্রযুক্তি কী ভূমিকা রাখতে পারে তা তলিয়ে দেখা হয়।
