ট্রুডোর প্রধানমন্ত্রী থাকার সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে

ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ডের পদত্যাগের পর সামনে থাকা বিকল্পগুলো বিবেচনা করছেন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো

ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ডের পদত্যাগের পর সামনে থাকা বিকল্পগুলো বিবেচনা করছেন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। কারণ, ফ্রিল্যান্ডের পদত্যাগের পর ট্রুডোর সরে দাঁড়ানোর দাবি আরও জোরালো হয়েছে।

১৬ ডিসেম্বর অর্থমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন ফ্রিল্যান্ড। একই দিনে তার ফল ইকোনমিক স্টেটমেন্ট উপস্থাপনের কথা ছিল। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ফ্রিল্যান্ডকে সরিয়ে দেওয়ার কথা জানানোর পর তিনি পদত্যাগ করেন।

- Advertisement -

এই সিদ্ধান্ত হিতে বিপরীত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি আরও বেশি জোরালো হয়েছে। কিছু লিবারেল এমপি, এনডিপি নেতা জাগমিত সিং এবং টরন্টো স্টারের সম্পাদকমন্ডলীর পর্ষদ তার পদত্যাগ দাবি করেছেন।

১৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত ককাসের জরুরি বৈঠকে ট্রুডো বলেন, তাকে যা বলা হয়েছে তা তিনি ভেবে দেখবেন।

পরিস্থিতি সম্পর্কে জানেন এমন একটি লিবারেল সূত্র দ্য কানাডিয়ান প্রেসকে এটা নিশ্চিত করেন যে, পরবর্তীতে কী করবেন তা নিয়ে তিনি ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে আলোচনা করছেন।

এর মধ্যে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি দায়িত্ব চালিয়ে যাবেন নাকি ছেড়ে দেবেন সেটি। ট্রুডো নিউজ আইটলেটগুলোকে বছর শেষের সাক্ষাৎকার প্রদান স্থগিত করেছেন। এবং ফ্রিল্যান্ডের পদত্যাগ নিয়ে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো কথা বলেননি।

এক বছরের বেশি সময় ধরে ট্রুডো তার পদত্যাগের দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে তার মনে পরিবর্তন আসতে পারে। তার সামনে বেশ কিছু বিকল্প আছে। হয় তিনি তৎক্ষণাৎ পদত্যাগ করতে পারেন অথবা নতুন নেতা নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত দায়িত্ব চালিয়ে যেতে পারেন।

তিনি যদি থেকে যেতে চান সেক্ষেত্রে তাতে তার ককাসের ক্ষতি মেরামত করতে হবে। কারণ, অন্তত এক-তৃতীয়াংশ লিবারেল এমপি এখন তার পদত্যাগ চাইছেন।

নিউ ব্রান্সউইকের এমপি ওয়েন লঙ্গ মঙ্গলবার ককাসকে লেখা এক চিঠিতে ফ্রিল্যান্ডের পদত্যাগকে বিভ্রান্তিকর, বিব্রতকর বলে মন্তব্য করেন। এ বছরের গোড়ার দিকে যেসব লিবারেল এমপি ট্রুডোর পদত্যাগ দাবি করেন তিনি ছিলেন তাদের অন্যতম।

- Advertisement -

Read More

Recent