
কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নীতিনির্ধারণী সুদের হারের ব্যবধান আরও বেড়েছে। ব্যাংক অব কানাডা বুধবার সুদের হার আরেক দফা কমালেও ইউএস ফেডারেল রিজার্ভ একই রেখেছে, যা ব্যবধান বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লুনির ওপর নি¤œমুখী চাপ সৃষ্টিকারী এই ব্যবধান সত্ত্বেও ব্যাংক অব কানাডা বেশি উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন শুল্কের হুমকি নিয়ে। এর পরিপ্রেক্ষিতে অর্থনীতি নিয়ে তারা কী করতে পারে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
গত জুন থেকে আগ্রাসী সুদের হার কমানোর পর ব্যাংক অব কানাডার নীতিনির্ধারণী সুদের হার দাঁড়িয়েছে এখন ৩ শতাংশ। এক সময় নীতিনির্ধারণী সুদের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৫ শতাংশে।
বুধবার দিনের শেষ দিকে ইউএস ফেডারেল রিজার্ভ তাদের নীতিনির্ধারণী সুদের হার অপরিবর্তিত রাখে। কারণ, উচ্চ সুদের হারের মুখেও সীমান্তের দক্ষিণের অর্থনীতি যথেষ্ট শক্তিশালী রয়েছে। ফেডারেল রিজার্ভ গত বছর নীতিনির্ধারণী সুদের হার তিনবার হ্রাস করে ৪ দশমিক ২৫ থেকে ৪ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে নিয়ে আসে, যা কানাডার চেয়ে এক শতাংশীয় পয়েন্ট বেশি।
বিএমওর জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ শেলি কৌশিক বলেন, আমি মনে করি ব্যাংক অব কানাডা এ বছর আরও দুইবার সুদের হার কমাবে এবং এর ফলে ব্যবধান আরও বিস্তৃত হবে। কানাডিয়ান ডলারের ওপর যে চাপ এই ব্যবধান তার অন্যতম কারণ। এক মাসের বেশি সময় ধরে প্রতি কানাডিয়ান ডলার ৭০ সেন্টের নিচে লেনদেন হচ্ছে। এই ব্যবধান অব্যাহত থাকে অথবা আরও বেশি বেড়ে যায় তাহলে আমার মনে হয় তা লুনির মূল্যমানের ওপর নি¤œমুখী চাপ সৃষ্টি করবে। কিন্তু এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের হার ব্যাংক অব কানাডার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার থেকে কানাডিয়ান পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন। এটা হলে কানাডিয়ান অর্থনীতির জন্য তা বড় আঘাত হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা।
